অবরোধের সমর্থনে গণফোরাম ও বাংলাদেশ পিপলস পার্টির মিছিলে ছাত্রলীগ হামলা করেছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। আজ সোমবার ৪টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, বিক্ষোভ মিছিলটি আরামবাগ থেকে শুরু করে মতিঝিল শাপলা চত্বর হয়ে নটরডেম কলেজের সামনে দিয়ে আরামবাগ ঘুরে গণফোরাম চত্বরে এসে শেষ হয়। সেখানে সমাবেশে শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দিচ্ছিলেন। এসময় ছাত্রলীগের হামলায় শিকার হয়েছেন গণফোরাম ও বাংলাদেশ পিপলস পার্টির নেতাকর্মীগণ।
হামলার প্রতিবাদে তাৎক্ষণিক এক যৌথ বিবৃতিতে গণফোরাম নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট একেএম জগলুল হায়দার আফ্রিক ও বাংলাদেশ পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান বাবুল সরদার চাখারি বলেন, গণতান্ত্রিক শান্তিপূর্ণ মিছিল সমাবেশে হামলা করে জনগণের এক দফা দাবি আদায়ের আন্দোলনকে বাধাগ্রস্ত করা যাবে না। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের দাবি উপেক্ষা করে ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে ষড়যন্ত্রের যে নীলনকশা সাজাচ্ছে তা প্রতিহত করা হবে। দলীয় গুণ্ডা বাহিনীর আক্রমণের জবাব এ দেশের জনগণ দেবে।
গণফোরাম চত্বরে শান্তিপূর্ণ সমাবেশে হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ক্ষমতাসীন সরকারের সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে হামলা করে কোনো স্বৈরাচার সরকার জনগণের আন্দোলনকে রুখতে পারেনি। এই অবৈধ আওয়ামী লীগ সরকারও পারবে না। রাজপথের আন্দোলনের মাধ্যমে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করা হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন গণফোরাম জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব খান ফারুক, সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ রওশন ইয়াজদানী, তথ্য ও গণমাধ্যম সম্পাদক মুহাম্মদ উল্লাহ মধু, ছাত্র সম্পাদক মো. সানজিদ রহমান শুভ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি হাবিবুর রহমান বুলু, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কামাল উদ্দিন সুমন, ইমাম হোসেন ও শেখ শহিদুল ইসলামসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগরের নেতৃবৃন্দ।
বাংলাদেশ পিপলস পার্টির মহাসচিব মো. আবদুল কাদের, প্রেসিডিয়াম মেম্বার আতিকুর রহমান, আলমগীর হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান খাদিজা রহমান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জসিম সরদার, ছাত্র সম্পাদক সারোয়ার হোসেন উৎসব, কৃষি সম্পাদক ওবায়দুর চাকলাদার ও সিলেট মহানগরের সভাপতি মো. আব্দুস শহিদসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগরের নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।