ফেনী জেলা যুবদলের সিনিয়র সদস্য ও সদর উপজেলার সাবেক আহ্বায়ক আতিকুল ইসলাম মামুন গত ২৬ অক্টোবর ঢাকা যাওয়ার পথে পুলিশের হাতে আটক হন। পরদিন আদালতের মাধ্যমে তাকে পাঠানো হয় কারাগারে। তারপর থেকেই তিনি কারাগারে আছেন। এর মধ্যে ৩১ অক্টোবর শহরের ইসলামপুর রোডের বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ ও বিস্ফোরণের ঘটনার এক মামলায়ও তাকে আসামি করা হয়। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। তবে পুলিশ বলছে, নাম একই হলেও ব্যক্তি ভিন্ন।
পুলিশ ও বিএনপি সূত্র জানায়, গত ২৬ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিসিক রাস্তার মাথা এলাকায় একটি বাসে তল্লাশি চালিয়ে ফেনী যুবদলের চার নেতাকে আটক করে পুলিশ। তাদের মধ্যে মামুনও ছিলেন। পরদিন তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। পরে ঢাকার ‘সমাবেশ পণ্ড করার’ প্রতিবাদে ৩১ অক্টোবর শহরের ইসলামপুর রোডের দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। পুলিশ বলছে, ওই দিন তারা এগিয়ে গেলে বিক্ষোভকারীরা ইটপাটকেল ছোড়েন। পরদিন ১ নভেম্বর ফেনী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মাহফুজুর রহমান ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। এদের মধ্যে ১৯ নম্বর ক্রমিকে মামুনের নাম রয়েছে।