রোনালদোর ৮৬৫তম গোলে পর্তুগালের নয়ে ৯

জাতীয় দল কিংবা ক্লাব; দুই জায়গায় সমানতালে ছুটছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। বয়সকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে একের পর এক ম্যাচ গোল করে যাচ্ছেন তিনি। ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাইয়ে লিখটেনস্টাইনকে হারানোর পথে ফের জালের দেখা পেলেন পর্তুগালের এই তারকা।

প্রতিপক্ষের মাঠে বৃহস্পতিবার রাতে ‘জে’ গ্রুপের ম্যাচটি ২-০ গোলে জিতেছে রবের্তো মার্তিনেসের দল। গোলশূন্য প্রথমার্ধের পর চমৎকার গোলে দলকে এগিয়ে নিলেন রোনালদো। পরে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন জোয়াও কানসেলো।

আগামী বছর জার্মানিতে অনুষ্ঠেয় ইউরোর মূল পর্বের টিকেট আরও আগেই নিশ্চিত করে পর্তুগাল। বাছাইয়ে প্রথম ৯ ম্যাচের সবগুলিই জিতল তারা।

জাতীয় দলের হয়ে টানা তিন ম্যাচে জালের দেখা পেলেন  রোনালদো। গত মাসে স্লোভাকিয়া ও বসনিয়ার বিপক্ষে দুটি করে গোল করেছিলেন ৩৮ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড।

প্রথমার্ধে বল দখলে অনেক এগিয়ে থাকলেও খুব বেশি পরিষ্কার সুযোগ তৈরি করতে পারেনি পর্তুগাল। আর লিখটেনস্টাইন তো তেমন কোনো আক্রমণই করতে পারেনি। এতে প্রথমার্ধে কোনো দলই পায়নি গোলের স্বাদ।

দ্বিতীয়ার্ধের দ্বিতীয় মিনিটে ডেডলক ভাঙেন রোনালদো। বাঁ দিক থেকে দিয়োগো জটার থ্রু বল ধরে বক্সে ঢুকে বাঁ পায়ের কোণাকুনি শটে প্রতিপক্ষ গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন তিনি।

চলতি বাছাইয়ে রোনালদোর গোল হলো ১০টি, বেলজিয়ামের রোমেলু লুকাকুর সঙ্গে যৌথভাবে যা সর্বোচ্চ। পর্তুগালের জার্সিতে সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ ফরোয়ার্ডের গোল হলো ১২৮টি, ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে ৮৬৫টি।

১০ মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন কানসেলো। বার্সেলোনা ফরোয়ার্ডকে রুখতে বক্সের বাইরে চলে যান স্বাগতিক গোলরক্ষক। তাকে পরাস্ত করে প্রতিপক্ষের দুই খেলোয়াড়ের মধ্যে দিয়ে শটে জাল খুঁজে নেন ২৯ বছর বয়সী ফুটবলার।

৬৭তম মিনিটে রোনালদোকে তুলে নেন কোচ। ৮২তম মিনিটে হেডে রামোস জালে বল পাঠালেও ভিএআরের সাহায্যে অফসাইডের কারণে গোল দেননি রেফারি। এতে ব্যবধান আর বাড়েনি।