বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফরউল্লাহকে। এইচটি ইমামের মৃত্যুর পর গত আড়াই বছর গুরুত্বপূর্ণ এই পদ ফাঁকা ছিল।
শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) বিকেলে তেজগাঁওয়ে আওয়ামী লীগের জেলা কার্যালয়ে দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ ঘোষণা দেন।
শেখ হাসিনা বলেন, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান কাজী জাফরউল্লাহ সাহেব। কো-চেয়ারের অনেক কাজ থাকে। কারণ, সারাক্ষণ বসে লেখালেখি করতে হয়।
আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বে রয়েছেন শেখ হাসিনা আর সদস্যসচিব দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
তবে গুরুত্বপূর্ণ কো-চেয়ারম্যানের পদে কে আসবেন তা নিয়ে এইচটি ইমামের মৃত্যুর পর থেকেই গুঞ্জন চলছিল।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গত ১০ নভেম্বর নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়। সে সময় গঠন করা হয় আওয়ামী লীগের নির্বাচন প্রস্তুতিতে ১৪টি উপকমিটি।
তবে কো–চেয়ারম্যান পদে কে আসবেন তা ঠিক হয়নি বলে ওইদিন সাংবাদিকদের জানান ওবায়দুল কাদের।
আওয়ামী লীগের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যানের পদ সৃষ্টি হয় ১৯৯৬ সালের নির্বাচনের আগে। সেই সময় প্রথম কো-চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় সাবেক আমলা শাহ এএমএস কিবরিয়াকে।
২০০৮ এর নির্বাচনের আগে নির্বাচন পরিচালনার কো-চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পান আরেক সাবেক আমলা হোসেন তৌফিক ইমাম বা এইচটি ইমাম। ২০২১ সালের মার্চে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি এই দায়িত্বে ছিলেন।
এইচটি ইমামের মৃত্যুর পর কো-চেয়ার পদে কে আসছেন তা নিয়ে রীতিমতো গুঞ্জন শুরু হয়। এই পদের জন্য আলোচনায় আসে সাবেক কয়েকজন আমলার নাম।
তবে শেষ পর্যন্ত প্রথমবারের মতো একজন রাজনীতিবিদকে আওয়ামী লীগের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান করা হলো।