গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে সম্প্রতি শ্রমিক অসন্তোষে নিহত পোশাকশ্রমিকের পরিবারের দায়িত্ব নিয়েছে কারখানা কর্র্তৃপক্ষ। নিহত শ্রমিক জালাল উদ্দিনের স্ত্রীকে চাকরি এবং সন্তানের ভরণপোষণের দায়িত্বও নেয় মাল্টিফ্যাবস লিমিটেড কারখানা। নিহত জালাল ওই কারখানায় সুপারভাইজার পদে চাকরি করতেন।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর নয়াপাড়া এলাকায় মাল্টিফ্যাবস কারখানায় আসেন নিহত শ্রমিকের স্ত্রী নার্গিস পারভীন ও একমাত্র কন্যাসন্তান জান্নাতুল বাকিয়া মরিয়ম (৯)। পরে কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ডা. মেজবা ফারুকী তাদের হাতে চিকিৎসা বাবদ দেড় লাখ টাকার একটি চেক তুলে দেন। এ ছাড়া তিনি শিশুসন্তানের লেখাপড়া ও বিয়ে পর্যন্ত সব দায়িত্ব নেন। ওই সময় নিহতের স্ত্রী কাজ করে খাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করলে কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকে চাকরির ব্যবস্থা করে দেওয়ার কথা জানান।
নিহত জালাল উদ্দিন (৪০) নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার বাঁশহাটি গ্রামের চান মিয়ার ছেলে। জালাল জরুন এলাকার ফজল মোল্লার ভাড়া বাসায় সপরিবার বসবাস করতেন। গত ৮ নভেম্বর বেতন বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলনের সময় বাড়ি যাওয়ার পথে গুলিবিদ্ধ হন জালাল। এরপর তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১১ নভেম্বর রাত সাড়ে ১২টার দিকে মারা যান।