চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে এবার পাসের হারে বেসরকারি কলেজগুলোর আধিপত্য দেখা যাচ্ছে। শতভাগ পাস করা ১২টি প্রতিষ্ঠানের সবগুলোই বেসরকারি, এমনকি পাসের ভিত্তিতে সেরা প্রতিষ্ঠানের প্রথম ১৩টি কলেজ বেসরকারি। ১৪ নম্বরে রয়েছে সরকারি কমার্স কলেজ।
তবে জিপিএ ৫ প্রাপ্তিতে সরকারি কলেজগুলো এগিয়ে রয়েছে। জিপিএ ৫-এর ভিত্তিতে প্রথম ১০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তিনটি প্রতিষ্ঠান বেসরকারি, বাকি সাতটিই সরকারি কলেজ। গতকাল রবিবার প্রকাশিত এইচএসসি পরীক্ষা ফলে চট্টগ্রাম বোর্ডে ৭৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। গত বছর এ হার ছিল ৮০ দশমিক ৫০ শতাংশ। একই সঙ্গে এবার জিপিএ ৫ অর্ধেকে নেমে এসেছে। গত বছর জিপিএ ৫ পেয়েছিল ১২ হাজার ৬৭০ জন, এবার তা কমে ৬ হাজার ৩৩৯ জনে নেমে এসেছে। শুধু পাসের হার ও জিপিএ ৫ কমেনি, কয়েক বছর ধরে চট্টগ্রামে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শতভাগ শূন্য পাস ছিল না। এবার তিনটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেসব প্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করেনি।
চলতি বছর ২৭৯টি কলেজের ১ লাখ ৩ হাজার ২৪৮ পরীক্ষার্থী ১১৩টি কেন্দ্রে পরীক্ষা দিয়েছিল। পাসের হার বিজ্ঞানে ৮৮ দশমিক ৪৫, মানবিক বিভাগে ৬৫ দশমিক ২২ এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৭৮ দশমিক ৫৬ শতাংশ। চট্টগ্রাম মহানগরসহ জেলায় গত বছর ৮২ দশমিক ৭১ শতাংশ পাস করেছিল, এবার তা কমে ৭৭ দশমিক ২৭ শতাংশে নেমে এসেছে। একই অবস্থা কক্সবাজার জেলার ক্ষেত্রেও। কক্সবাজারে গত বছর ৭৪ দশমিক ৯২ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করলেও এবার ৭০ দশমিক ৩৮ শতাংশ পাস করেছে। রাঙ্গামাটিতে ৭৫ দশমিক ৩৩ থেকে কমে ৬৪ দশমিক ৬২ শতাংশে, খাগড়াছড়িতে ৬৮ দশমিক ৭৮ থেকে কমে ৬২ দশমিক ২৭ শতাংশে এবং বান্দরবানে ৮১ দশমিক ২০ থেকে কমে ৬৬ দশমিক ৮১ শতাংশে নেমে এসেছে পাসের হার।
নিম্নমুখী ফল প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এ এম এম মজিবুর রহমান দেশ রূপান্তরকে বলেন, গত কয়েক বছর করোনার কারণে সম্পূর্ণ সিলেবাসে পরীক্ষা হয়নি। এবার ১০০ নম্বরে পরীক্ষা হওয়ায় পাসের হার কিছুটা কমেছে।