বিশ্রাম নয়, টেস্ট খেলতে মুখিয়ে স্টার্ক-কামিন্স

ব্যস্ত একটি বছর কাটাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। একের পর এক ম্যাচ খেলছেন ক্রিকেটাররা। তাতে ক্লান্তি-শ্রান্তি জেঁকে বসার কথা স্বাভাবিকভাবেই। তাই কিছু ক্রিকেটারকে বিশ্রাম দিয়ে খেলানোর কথা ভাবতেই পারে বোর্ড। তবে সেই তালিকায় থাকতে নারাজ মিচেল স্টার্ক ও প্যাট কামিন্স। আসছে টেস্ট সিরিজে অংশ নিতে মুখিয়ে আছেন তারা।

গত আট মাসে অনেক ক্রিকেট খেলেছে অস্ট্রেলিয়া। ভারতে সফর করেছে, বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ জিতেছে, ইংল্যান্ডের মাটিতে অ্যাশেজ ধরে রেখেছে, ভারতে সম্প্রতি জিতেছে ওয়ানডে বিশ্বকাপ। এখন আবার ভারতের বিপক্ষে চলছে তাদের পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ।

এই সময়ে বেশিরভাগ ম্যাচেই অস্ট্রেলিয়া দলের সদস্য ছিলেন স্টার্ক-কামিন্স। পাকিস্তানের বিপক্ষে আগামী মাসে টেস্ট সিরিজ খেলবে অস্ট্রেলিয়া। অভিজ্ঞ পেসারদের এই সিরিজে বিশ্রাম দেওয়ার আলোচনা চলছে দেশটির ক্রিকেট আঙিনায়। যা একদমই পছন্দ হচ্ছে না টেস্ট অধিনায়ক কামিন্স ও অভিজ্ঞ পেসার স্টার্কের।

সিডনিতে বিশ্বকাপ ট্রফি প্রদর্শনীতে ছিলেন এই দুই ক্রিকেটার। তখন সামনের সিরিজ নিয়ে কামিন্স বলেন, 'বোলার হিসেবে সবসময় কিছু না কিছুর সঙ্গে লড়তে হয়। যখন হ্যামস্ট্রিং ভালোর দিকে থাকে, হঠাৎ করে শরীরের অন্য কোথাও ব্যথা অনুভব হয়। পরের দিন সকালে ঘুম থেকে উঠলে দেখা যায় শরীরের অন্য আরেক জায়গায় ব্যথা করছে। বাস্তবিকভাবে, 'বিশ্রাম' ও 'অদলবদল' এই শব্দগুলি প্রচুর পরিমাণে ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে আপনি যদি পুরোপুরি ফিট থাকেন তাহলে কখনো টেস্ট ম্যাচ মিস করতে চাইবেন না।'

এরপর স্টার্কও বলেন একই কথা। সঙ্গে তিনি জুড়ে দেন, এক সংস্করণ থেকে আরেক সংস্করণে লাফ দেওয়া তাদের জন্য স্বাভাবিক ঘটনা, 'মন এবং শরীর জানে যে, এটি বছরের কোন সময়। বিশেষ করে, জশ, প্যাট এবং আমি, কয়েক গ্রীষ্ম ধরেই এভাবে খেলছি। সাদা বল থেকে লাল বলে দ্রুত পরিবর্তন কিংবা শীত থেকে গ্রীষ্মে মানিয়ে নিয়েছি। এটা আমাদের জন্য নতুন কিছু নয়। একই সঙ্গে স্মিথি (স্টিভেন স্মিথ) ও ডেভিও (ডেভিড ওয়ার্নার) লম্বা সময় ধরে একই কাজ করে আসছে।'

অস্ট্রেলিয়া ও পাকিস্তানের তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজটি শুরু আগামী ১৪ ডিসেম্বর। পরের দুই ম্যাচ শুরু ২৬ ডিসেম্বর ও ৩ জানুয়ারি। এরপর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঘরের মাঠে দুটি টেস্ট খেলবে অজিরা।