স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৫

রংপুরে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ। গত শনিবার রাত ১০টার দিকে নগরীর হাজিরহাট এলাকার মুছিরমোড় ছ্যাপরা বটেরতল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শনিবার রাতেই নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ছয়জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। পরে ভুক্তভোগী নারীকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গতকাল রবিবার দুপুরে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অপরাধ বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার আবু মারুফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলে হাজিরহাট থানাধীন হরিরামপুরের শহিদুল ইসলাম রানা (৩৩), উত্তম ডাক্তারপাড়া এলাকার জাহিদুল ইসলাম (৩২), রণচ-ী মন্থনা এলাকার বুলু হোসেন (২৫), রণচ-ি রায়পাড়া এলাকার আলমগীর হোসেন (৩১) ও উত্তম মধ্যপাড়া এলাকার ছামসুল ইসলাম (৩২)। তবে ২ নম্বর আসামি উত্তম মৌলভীপাড়া এলাকার হাফিজুল ইসলাম (২৮) পলাতক রয়েছেন।

আবু মারুফ হোসেন জানান, আরপিএমপির হাজিরহাট থানাধীন মুছিরমোড় ছ্যাপরা বটেরতল এলাকায় ছাগল চুরির অভিযোগে এক নারী ও তার স্বামীকে তুলে নিয়ে আটক করেন ওই এলাকার কয়েকজন যুবক। পরে রাত ১০টার দিকে একটি টিনের চালার খুঁটির সঙ্গে স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ পর্যায়ক্রমে ধর্ষণ করেন। পরে গভীর রাতে ভুক্তভোগী ওই নারী হাজিরহাট থানায় অভিযোগ করলে রাতেই অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

আরপিএমপির হাজিরহাট থানার অফিসার্স ইনচার্জ রাজিব বসুনিয়া নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রাতেই পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তবে ২ নম্বর আসামি হাফিজুল ইসলাম পলাতক রয়েছেন।