দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে উচ্চমাধ্যমিকের গণ্ডি পেরিয়ে আসা তরুণদের বুকে স্বপ্ন বুননে নিবিড়ভাবে দায়িত্ব পালন করছে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি (আইইউবিএটি)। দেশের প্রতিটি গ্রাম থেকে অন্তত একজন করে পেশাদারি স্নাতক তৈরির লক্ষ্যে শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. এম আলিমউল্যা মিয়ান ১৯৯১ সালে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে আইইউবিএটি প্রতিষ্ঠা করেন।
গত তিন দশক ধরে বিভিন্ন দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানে সফলতা এবং দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে আইইউবিএটির স্নাতকরা। প্রথম শ্রেণির সরকারি চাকরিসহ দেশের উচ্চ পর্যায়ের ব্যাংক, টেলিকম সেবা, এফএমসিজিসহ নানা ক্ষেত্রে আইইউবিএটি এর স্নাতকদের দৃঢ় অবস্থান আছে।
দেশের পাশাপাশি যুক্তরাজ্য-ইউরোপের নানা দেশেও আইইউবিএটি এর স্নাতকরা ভালো প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন। এমনকি আমেরিকার ইনটেল ও নাসায়ও চাকরি করছেন আমাদের গ্র্যাজুয়েটরা।
আইইউবিএটিতে স্নাতক পর্যায়ে বিবিএ, পুরকৌশল, কম্পিউটারবিজ্ঞান ও প্রকৌশল, তড়িৎ ও ইলেকট্রনিকস প্রকৌশল, যন্ত্র প্রকৌশল, অর্থনীতি, ইংরেজি, কৃষি, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট এবং নার্সিং বিষয়ে পড়া যায়। স্নাতকোত্তর পর্যায়ে এমবিএ এবং এমপিএইচ প্রোগ্রামে ভর্তি হওয়ার সুযোগ আছে।
প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ড. এম আলিমউল্যা মিয়ান বৃত্তির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিনা খরচে পড়ার সুযোগ পাচ্ছে স্বনামধন্য এই বিশ্ববিদ্যালয়ে। এ ছাড়া আর্থিক সচ্ছলতার অভাবে উচ্চশিক্ষা নিতে পারছেন না, তাদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা আছে আইইউবিএটিতে। কোনো ফি ছাড়াই ঢাকার অনেকগুলো রুটে শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের আছে পরিবহন ব্যবস্থা।
মিয়ান রিসার্চ ইনস্টিটিউট বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণা ও প্রকাশনার জন্য আইইউবিএটির শিক্ষক ও গবেষকদের গবেষণা মঞ্জুর, দিকনির্দেশনা ও মূল্যায়ন পরিচালনা করে। প্রতিবছরই এসব গবেষণার ফলাফল নিয়ে সেমিনারের আয়োজন করা হয় এবং গবেষকদের সম্মাননা দেওয়া হয়।
আইইউবিএটি ১৯৯৭ সালে অ্যাসোসিয়েশন অব কমনওয়েলথ ইউনিভার্সিটির সদস্য হয়, যার মাধ্যমে কমনওয়েলথের সব দেশেই আইইউবিএটির ডিগ্রি স্বীকৃতি পায়। ইউরোপ, আমেরিকা, এশিয়ার বিভিন্ন দেশের ১১৩টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে আইইউবিএটির সমঝোতা চুক্তি রয়েছে।
কিউএস- ২০২৪ এর র্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের মধ্যে ৬ষ্ঠ আইইউবিএটি। এ ছাড়া ২০২২ সালের ইউআই গ্রিন মেট্রিক ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাংকিংয়ে বাংলাদেশে আইইউবিএটির অবস্থান দ্বিতীয়।