অনন্ত জলিল হলিউড অভিনেতা টম ক্রুজকে অনুসরণ করেন। শুধু তা-ই নয় টম ক্রুজ আরব আমিরাতের সুউচ্চ ভবন থেকে লাফ দিয়েছিলেন যেমন তেমনিভাবে অনন্ত জলিলও লাফ দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু অনুমতি দেবে না বলে সে পথে পা বাড়াননি।একেবারে যে পিছুটান দিয়েছিলেন তা নয়। তাঁর ভাষায়, টম ক্রুজ যদি এত উঁচু থকে লাফ দিতে পারেন, তাহলে তিনি কেন পারবেন না? এ কারণেই অনন্ত থাইল্যান্ডের বহুতল ভবন থেকে লাফ দেওয়ার চেষ্টা করেছেন।
দেশ রূপান্তরের সঙ্গে সাম্প্রতিক এক আলাপনে অনন্ত জলিল বলেন, “টম ক্রুজ ‘মিশন ইম্পসিবল’ সিনেমায় যখন বুর্জ আল খলিফার চূড়া থেকে জাম্প করে, আমার তখন থেকেই ইচ্ছে এ রকম উঁচু বিল্ডিং থেকে লাফ দেওয়ার। বুর্জ খলিফায় ও রকম শুটিং করতে আমাদের কেউ দেবেও না। টম ক্রুজ বলে হয়তো দিয়েছে। আমি চিন্তা করলাম থাইল্যান্ডের এমন উঁচু একটা বিল্ডিং থেকে শট দেব।”
জলিল বলেন, “ব্যাংককে পাতু নামের এমন একটা বিল্ডিং আছে। আমি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বললাম। তারা নানা কারণ দেখিয়ে রাজি হচ্ছিল না। তখন ওরা দিল না। পাতায়াতে একটা বিল্ডিং ভাড়া নিলাম ২৩ তলা। ওই ২৩ তলা থেকে জাম্প করার জন্য আমি যখন সম্পূর্ণ রেডি, জাম্প না ঠিক বিল্ডিংয়ে পা দিয়ে হেঁটে নেমে যাওয়া। ও (বর্ষা) যখন কার্নিশের কাছে গিয়ে দেখল আমাকে। তখন এসে বলল, ‘তুমি এই শট দিতে পারবা না।’ এটা কিছুতেই সম্ভব না। এভরিথিং রেডি, শট দিতে পারব না মানে? আমাকে শট দিতেই হবে। ও তখন মন খারাপ করে ক্যারাভানে এসে বসে রইল। বলল আমাকে শট দিতে দেবে না।”
অনন্ত জলিল বলেন, ‘সব সময় এ ধরনের কাজগুলো করতে চাই। আমার মনে হয় আরেকজন করতে পারলে আমি পারব না কেন? এ ধরনের কাজগুলো আমার মনে অনুপ্রেরণা জাগিয়েছে।’
দেশ রূপান্তরের সঙ্গে আলাপের বিষয় ছিল সোশ্যাল হিরো বিষয়ে এদেশে সিনেমা নির্মাণ কেন হয় না, এর জবাব দিতে গিয়ে তিনি বলেন; আমাদের দেশে এমন অনেক গল্প আছে। অনেক ট্রেন ট্রাজেডির ঘটনাও আছে, সুযোগ পেলে অভিনয় করবো। দর্শকেরা এসব খুব পছন্দ করে।’