নির্বাচনে ভারতীয় হস্তক্ষেপের পরিণাম শুভ হবে না: ১২ দলীয় জোট

দিল্লীর পরিকল্পনা অনুযায়ী বাংলাদেশে আরেকটি নির্বাচন হবে না হুঁশিয়ারি দিয়ে ১২ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বলেছেন, এই বাংলার মাটি যেমন উর্বর তেমনি তেজস্ক্রিয়। যদি একবার বাংলার মানুষ গর্জে উঠে তখন তরুণ-বৃদ্ধ, নারী-পুরুষ বাঁশের লাঠি নিয়ে দিল্লীকে প্রতিরোধ করবে। সুতরাং ২০১৪ ও ২০১৮ সালের মত আবার পাতানো নির্বাচনের খেলায় মেতে উঠবেন না। তারা বলেন, কথাবার্তা পরিষ্কার, বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে ভারতীয়রা হস্তক্ষেপ চালালে এবার তার পরিণাম শুভ হবে না।

বুধবার দুপুরে বন্দীদের মুক্তি, শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনের দাবীতে ১২ দলীয় জোটের অবরোধ সমর্থনে বিক্ষোভ মিছিল জাতীয় প্রেসক্লাব থেকে বিজয় নগর ঘুরে পল্টন মোড় এসে শেষ হয়। এ সময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে জোটের নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন। 

সরকারের উদ্দেশে বাংলাদেশ এলডিপির মহাসচিব ও ১২ দলীয় জোটের মুখপাত্র শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন, যদি শান্তিপূর্ণভাবে বিদায় নিতে চান অনতিবিলম্বে এই তামাশার নির্বাচনের তফশিল বাতিল করুন। নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে একটি অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন দিন। তত্ত্বাবধায়ক ইস্যুতে নির্বাচনকালীন আলোচনায় উত্তরণের পথটা এখনো একেবারে শেষ হয়ে যায় নাই। 

এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ এলডিপির, তমিজউদদীন টিটু, সৈয়দ ইব্রাহিম রনক, এম এ বাশার, জমিয়তের মাওলানা আব্দুল মালিক চৌধুরী, আতাউর রহমান খান, খায়রুল ইসলাম, বাংলাদেশ জাতীয় দলের বেলায়েত হোসেন শামীম, বাংলাদেশ লেবার পার্টির হুমায়ুন কবির, শরীফুল ইসলাম, হাবিবুর রহমান, এলডিপি যুবদলের ফয়সাল আহমেদ, যুব জাগপার নেতা মনোয়ার হোসেন, জনি নন্দী, ছাত্র সমাজের কাজী ফয়েজ আহমেদ, মেহেদী হাসান, ফাহিম হোসাইন, ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশের নিজাম উদ্দিন আল আদনান, হাফেজ খালেদ মাহমুদ, ছাত্র মিশনের মো: মোসতাকিন বিল্লাহ প্রমুখ।