নির্বাচন কোনোভাবেই অবৈধ নয়
আগামী ৭ জানুয়ারির নির্বাচন বৈধতা পাবে কি না তা নিয়ে তুমুল বিতর্ক এখন দেশে-বিদেশে। আমার উত্তর, বৈধতা পাবে। বিএনপির বর্জন সত্ত্বেও আগের দুটি নির্বাচনের তুলনায় অনেক বেশি ভোটার অংশ নেবেন সামনের নির্বাচনে। আওয়ামী লীগের ডামি অথবা স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচনকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করে তুলবে। সংবিধান ও নির্বাচন বিধিমালায় নির্বাচনের সাফল্যের জন্য ভোটারদের অংশগ্রহণকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কোনো বিশেষ রাজনৈতিক সংগঠনের নাম বিধিমালায় উল্লেখ থাকে না।
শিখরা বিশ্বাস করেন মানবজাতি ‘শিখ’ ও ‘অশিখ’ দু’ভাগে বিভক্ত। প্রতিটি শিশু শিখ হিসেবে জন্ম নেয়। চুল কাটার পর তারা অশিখ হয়ে যায়। ঠিক তেমনি বাংলাদেশের রাজনীতি আওয়ামী লীগ ও অ্যান্টি আওয়ামী লীগ এমন দু’ভাগে বিভক্ত। বিএনপি এখানে অ্যান্টি আওয়ামী লীগ রাজনীতির মূলধারা।
বিস্তারিত পড়ুন এখানে
প্রহসনের নির্বাচন বৈধতা পাবে!
৭ জানুয়ারি, ২০২৪ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তারিখ ঘোষিত হয়েছে। ভোটের পরিবেশ থাকলে ও অংশগ্রহণমূলক ভোট হলে দেশে এখন উৎসব আমেজ থাকার কথা। বিভিন্ন দলের নির্বাচনী ইশতেহার নিয়ে আলাপ-আলোচনা, বিতর্ক হওয়ার কথা। প্রার্থীদের বিষয়ে আলোচনায় মুখরিত হওয়া, সরকারের বিগত দিনের কর্মকাণ্ড এবং আগামী দিনে অংশগ্রহণকারী দলসমূহ দেশকে কোন পথে নিতে চায়, সেসব বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা। এখন পত্রিকায় শিরোনাম হচ্ছে- ‘আসন ভাগাভাগির অপেক্ষায় শরিকরা’। ‘সিট পেতে সরকারের কাছে নতুন আগন্তুকদের ধরনা’। আলোচনায় আসছে ‘ডামি প্রার্থী’, ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী’। ‘জেল থেকে বেরিয়ে দলবদলের সঙ্গে সরকারদলীয় মার্কা পাওয়া’। ‘নির্বাচনে জিততে নৌকা চান শরিকরা’। বিগত দিনে সরকারকে উদ্ধার করা ‘বিরোধী দল জাতীয় পার্টিকে সাবালক হওয়া কথা বলা’। ‘কিংস পার্টি’ হিসেবে আলোচিতদের বেহাল অবস্থা। নির্বাচন নিয়ে এরকম শত খবর। জনজীবনের অন্যান্য সংকট অনেক সময় থেকে যাচ্ছে, আলোচনার বাইরে। এর মধ্যে সংঘাত-সংঘর্ষ, অবরোধ, সভা-সমাবেশ, বিক্ষোভ চলছে নির্বাচন ঘিরে।
বিস্তারিত পড়ুন এখানে