ব্রিজের পাশে পড়ে ছিল ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ

যশোরের মনিরামপুরে একটি ব্রিজের পাশ থেকে ঢাকা কলেজের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলমের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার স্বজনদের দাবি, পরিকল্পিতভাবে অপহরণের পর শ্বাসরোধে তাকে হত্যা করা হয়েছে। আজ শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) সকালে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে।

মৃত জাহাঙ্গীর আলম উপজেলার কুলটিয়া ইউনিয়নের পাড়িয়ালী গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য নুরুল হক দফাদারের ছেলে। তিনি ঢাকা কলেজ থেকে মাস্টার্স শেষ করে আরএফএল গ্রুপে চাকরি করতেন। পুলিশ মরদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্যে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

মনিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মনিরুজ্জামান জানান,  মনিরামপুর-নেহালপুর সড়কের সাতনল জোড়া ব্রিজের পাশে জাহাঙ্গীরের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। মরদেহের সুরতহালের সময় শরীরে কোনো প্রকার আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

জাহাঙ্গীর আলমের চাচাতো ভগ্নিপতি মামুনুর রশিদ জানান, ঢাকা কলেজ থেকে গণিতে মাস্টার্স সম্পন্নের পর জাহাঙ্গীর আলম ঢাকাতে আরএফএল গ্রুপে চাকরি করতেন। মাত্র ছয় মাস আগে তিনি বিয়ে করেন। বৃহস্পতিবার রাত নয়টার দিকে জাহাঙ্গীর ঢাকা থেকে বাসে করে মনিরামপুরে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। রওনা হবার আগে তিনি বাড়িতে ফোন করে বলেছিলেন, ভোর রাতে মনিরামপুর থেকে তাকে যেন কেউ এসে নিয়ে যান। সে মোতাবেক বাড়ির লোকজন ভোর চারটার দিকে মনিরামপুরে বাসস্ট্যান্ডে অপেক্ষা করতে থাকেন। কিন্তু তাকে না পেয়ে তারা বাড়ি ফিরে যান। সকাল আটটার দিকে মনিরামপুর-নেহালপুর সড়কের সাতনল জোড়া ব্রিজের পাশে জাহাঙ্গীরের মরদেহ পাওয়া যায়। সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।