যুক্তরাষ্ট্র্রের গণমাধ্যমের ওপর ৩৯ শতাংশ মার্কিনির আস্থা নেই

যুক্তরাষ্ট্র্রের গণমাধ্যমের ওপর মার্কিনিদের আস্থা কমেছে. মার্কিন জরিপ সংস্থা গ্যালাপের জরিপ বলছে, মার্কিন গণমাধ্যমের ওপর একেবারেই বিশ্বাস নেই ৩৯ শতাংশের। যা গেলো ৫১ বছরের জরিপের মধ্যে সর্বোচ্চ।  

হামাসের ঘাঁটি নির্মুলের নামে গেলো দুইমাস ধরে গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে ইসরায়েল। তবে এর খবর পরিবেশনে বস্তুনিষ্ঠ থাকতে পারেনি বেশিরভাগ মার্কিন গণমাধ্যম। দ্বিচারিতা আর ইসরায়েলের প্রতি পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ ওঠে নিউইয়র্ক টাইমস, সিএনএনের মতো নামকরা মার্কিন গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে। এমনকি অনেক গণমাধ্যমকর্মীও হতাশা জানিয়েছেন।

গণমাধ্যমে মার্কিনিদের বিশ্বাস কতটুকু, এ নিয়ে প্রতি বছর প্রতিবেদন প্রকাশ করে গ্যালাপ। এতে দেখা গেছে, মার্কিন গণমাধ্যমের ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা ৭ বছর পর ফের তলানীতে পৌঁছেছে।  

জরিপে দেখা যায়, এ বছর গণমাধ্যমের ওপর আস্থা আছে মাত্র ৩২ শতাংশ মার্কিনির। ১৯৭২ সালে জরিপ শুরু হওয়ার পর থেকে মার্কিন গণমাধ্যম এত কম আস্থা দেখেছিল ২০১৬ সালে। সে বছর ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্বাচিত হওয়ার পর, সংবাদের সত্যতা নিয়ে তর্ক-বিতর্ক তুঙ্গে পৌঁছায়। কলিনস ডিকশনারির মতে, পরের বছর যুক্তরাষ্ট্রে সর্বোচ্চ উচ্চারিত শব্দও ছিলো- হোক্স বা ভুয়া সংবাদ।   

জরিপ বলছে, গণমাধ্যমের ওপর একদমই আস্থা নেই ৩৯ শতাংশ মার্কিনির। যা গেলো ৫১ বছরের জরিপের মধ্যে সর্বোচ্চ। ১৯৭২ সালে এটি ছিল মাত্র ৬ শতাংশ। ২০১৮ সালেও ২৪ শতাংশ মানুষ অবিশ্বাস করতেন মার্কিন সংবাদকে। এরপর থেকে প্রতিবছর শুধু বাড়ছেই এই আস্থাহীনতা।

তবে আংশিক আস্থার কথা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ২৯ শতাংশ নাগরিক। গ্যালাপ জানায়, গণমাধ্যমের ওপর ডেমোক্র্যাট সমর্থকদের আস্থা রিপাবলিকানদের চেয়ে বেশি। তবে তরুণ ডেমোক্র্যাটদের ক্ষেত্রে ক্রমেই গণমাধ্যমের প্রতি আস্থা কমছে।