কোরিয়ান ধারাবাহিকে সজল মাহমুদ

দক্ষিণ কোরিয়ার ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে সুনাম কুড়িয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কোরিয়ান নাগরিক সজল মাহমুদ। সিনেমা এবং টিভি সিরিজে তার হাস্যরসাত্মক অভিনয় ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। যিনি এখন সজল কিম নামেই বেশি পরিচিত।

মাত্র ১৫ বছর বয়সে কোরিয়ান এক পরিবার তাকে দত্তক নেন। সেখানেই তাদের সন্তান হিসেবে বেড়ে উঠেছেন তিনি। জুংআং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন এই অভিনেতা। বিশ্ববিদ্যালয় থাকাকালীন অভিনয় ক্যারিয়ার শুরু হয় তার।

 ২০১২ সালে ‘অশক’ নামে একটি শর্টফিল্মে অভিনয়ের মাধ্যমে বেশ প্রশংসা কুড়ান। সেই শর্টফিল্মে একজন বাংলাদেশি ক্রীড়াবিদ হিসেবে প্রধান ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন তিনি। সিনেমাটি বুসান আন্তর্জাতিক শর্টফিল্ম ফেস্টিভ্যালে ‘আন্তর্জাতিক শর্টফিল্ম ক্যাটাগরিতে’ মনোনীত হয়েছিল।

এতে বেশ আলোচনায় আসে সজল। এরপর শুরু হয় বিভিন্ন এজেন্সি থেকে ডাক পাওয়া। বেশি দিন অপেক্ষা করতে হয়নি ২০১৩ সালে ‘রুড মিস ইয়ং ই’ ড্রামাতে ডাক পেয়ে যান। রুড মিস ইয়ং ই-এ ড্রামায় অভিনয় করে কোরিয়াতে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করলেও ‘স্পেশাল লেবার ইন্সপেক্টর’- ড্রামাতে তার ক্যামিও চরিত্রটি সারা বাংলাদেশে ভাইরাল হয়েছিল।

এরপর একের পর এক কাজ করেছেন ‘ইউনিকর্ন’, ‘দ্য ল ক্যাফে’ ‘গাউস ইলেকট্রনিক্স’ ড্রামাতে। বর্তমানে তাকে দেখা যাচ্ছে চলমান ড্রামা ‘ওয়েলকাম টু সামডাল রি’তে। অন্য কাজগুলো থেকে এই ড্রামায় তার চরিত্রটি গুরুত্বপূর্ণ। যা দেখে সজলের কোরিয়ান এবং বাংলাদেশ উভয় দেশের ভক্তরা বেশ খুশি।

সজল চান কোরিয়ান চলচ্চিত্র শিল্পে নিজের জন্য একটি নাম তৈরি করতে।সেই সঙ্গে বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে ধরে রাখে সিনেমায় কাজ করে অন্যকে উৎসাহিত করতে।