অপতৎপরতা রুখতে মামলা করল বিআরটিসি

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনকে (বিআরটিসি) লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন বর্তমান চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) তাজুল ইসলাম। তিনি চেয়ারম্যান পদে যোগদানের পর বিআরটিসিকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। এমতাবস্থায় করপোরেশনের চলমান উন্নয়নের অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত করার পাশাপাশি চেয়ারম্যানের সুনাম ক্ষুণ্ণ করতে কয়েকজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি বিআরটিসির ১৪ জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার স্বাক্ষর জাল ও জালিয়াতি করে একটি মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন একটি অভিযোগ দুদকসহ বিভিন্ন দপ্তরে প্রেরণ করেছে।

এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার বিআরটিসির ডিজিএম (এস্টেট) মো. গোলাম ফারুক রাজধানীর পল্টন থানায় বেশকিছু অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির নামে মামলা দায়ের করেছেন, যার নম্বর ১৩।

পরে সার্বিক নিরাপত্তা এবং বর্ণিত মামলার প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার বিআরটিসির প্রধান কার্যালয়ের সভাকক্ষে বিআরটিসির চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলামের (অতিরিক্ত সচিব) সভাপতিত্বে নিরাপত্তা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে মতিঝিল জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার হায়াতুল ইসলাম খান, পল্টন ও মতিঝিল থানার অফিসার ইনচার্জসহ বিআরটিসির সকল পরিচালক, জিএম, ডিজিএম, ঢাকাস্থ ম্যানেজারসহ ঢাকার বাইরের ম্যানেজাররা অংশ নেয়।

সভায় উপ-পুলিশ কমিশনার বলেন, বিআরটিসির উন্নয়ন অগ্রযাত্রা বিভিন্ন মহল কর্তৃক প্রশংসিত হচ্ছে। বিআরটিসি একটি কেপিআইভুক্ত এলাকা তাই বিআরটিসির ক্ষেত্রে পুলিশ সর্বোচ্চ সহযোগিতা প্রদান করবে। দায়েরকৃত মামলাটি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তদন্ত করা হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী বা বাইরের যাদের জড়িত পাওয়া যাবে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। ষড়যন্ত্রকারীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

বিআরটিসির চেয়ারম্যান বলেন, চলমান হরতাল অবরোধের মধ্যেও প্রথম কর্মদিবসে বেতন দেওয়া হয়েছে। দেশে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার জন্য হরতাল অবরোধের মধ্যেও যাত্রীসেবা অব্যাহত রয়েছে। বিআরটিসির উন্নয়ন অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত করতে স্বার্থান্বেসী মহল তৎপর রয়েছে। এসব অপকর্ম রুখতে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।