নানা প্রতিবাদ সত্ত্বেও সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) রাজউকের মাস্টারপ্ল্যান ড্যাপে চিহ্নিত জলাধার ভরাট করে স্থাপনা নির্মাণকাজ অব্যাহত রাখায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশিষ্টজনেরা। গতকাল বুধবার রাজধানীর প্ল্যানার্স টাওয়ারে ‘বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স (বিআইপি)’ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন তারা।
বিএডিসির কার্যক্রম বন্ধ করতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করার দাবি জানান বিশিষ্টজনেরা।
এছাড়া ভূমির শ্রেণি পরিবর্তনের সময় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে (রাজউক) তা আটকে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল, বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, জলাশয় আইন অনুযায়ী বিএডিসি এমন কাজ করতে পারে না। দেশ ও সমাজে আইন না মানার সংস্কৃতি দেখে তারা উৎসাহী হয়ে থাকতে পারে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা সুলতানা কামাল বলেন, সমাজে আইন না মানা, অন্যের ভালো না দেখতে পারার বিষয়টি ব্যাধিতে রূপ নিয়েছে। তারই প্রভাব পড়ছে সর্বত্র। বিএডিসি সরকারি সংস্থা হওয়া সত্ত্বেও পরিবেশ ও প্রতিবেশ ধ্বংসে কাজ করছে। এটা খুবই দুঃখজনক।
তিনি বলেন, এখন রাজউককে সতর্ক থাকতে হবে। বিএডিসি যখন ওই এলাকার ভূমির শ্রেণি পরিবর্তনের আবেদন করবে, তখন যেন তারা আটকে দেন।
বিআইপি আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির সভাপতি মোহাম্মদ ফজলে রেজা সুমন, নগর গবেষণা কেন্দ্রের সহ-সভাপতি পরিকল্পনাবিদ অধ্যাপক ড. গোলাম মোর্তুজা, সাধারণ সম্পাদক পরিকল্পনাবিদ সালমা এ শফী, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) সভাপতি ড. নূর মোহাম্মদ তালুকদার, নগর পরিকল্পনাবিদ অধ্যাপক ড. আদিল মুহাম্মদ খান ও অধ্যাপক মুহা. মুসলেহ উদ্দীন হাসান।