শেখ হাসিনার কারণে বুদ্ধিজীবী হত্যার বিচার সম্ভব হয়েছে

আজ ১৪ই ডিসেম্বর শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস ২০২৩ যথাযথ মর্যাদায় উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে বিকেল ৩ টায় শিশু একাডেমির শহিদ মতিউর রহমান মুক্ত মঞ্চে স্মৃতিচারণ, আলোচনা, দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা, এমপি। প্রতিমন্ত্রী আলোচনা অনুষ্ঠানের পূর্বে ৩ দিন ব্যাপী মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বইমেলার উদ্বোধন করেন।

শিশু বয়সেই বাবাকে হারানো ও মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলোর কথা শিশুদের সামনে তুলে ধরেন শহিদ বুদ্ধিজীবী সিরাজুদ্দিনের সন্তান সাংবাদিক ও কথা সাহিত্যিক জাহিদ রেজা নূর এবং শহিদ বুদ্ধিজীবী শহীদুল্লাহ কায়সারের সন্তান শমী কায়সার। 

শহিদ বুদ্ধিজীবী শহিদুল্লাহ কায়সারের সন্তান, বিশিষ্ট অভিনেত্রী শমী কায়সার বলেন,  ২০২৩ এর বুদ্ধিজীবী দিবসের তাৎপর্য একরকম আজ থেকে ২০-৩০ বছর আগের দিবসের তাৎপর্য অন্যরকম। তখন বুদ্ধিজীবী দিবস বলতে ছিল শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা। আমরা কখনো কল্পনাও করিনি এদেশে বুদ্ধিজীবীদের হত্যার বিচার হবে। বাংলাদেশের মাটিতে আজ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়েছে। গোলাম আজম, কাদের মোল্লা, সাকা চৌধুরীর ফাঁসি হয়েছে। আর এই অসম্ভব সম্ভব হয়েছে কারণ একজন জাতির পিতার কন্যা শেখ হাসিনা আছেন। আজকের শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবসের তাৎপর্য অন্যরকম। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেন, বিজয়ের ২দিন আগে পরাজয় নিশ্চিত জেনে পাকিস্তানি হানাদার, স্বাধীনতা বিরোধী ও  তাদের দোসররা বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করতে বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে।

বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রাঙ্গণে ১৪ ডিসেম্বর শহিদ বুদ্ধিজীবী উপলক্ষ্যে স্মৃতিচারণ, আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠানে  বাংলাদেশ শিশু একাডেমির চেয়ারম্যান লাকী ইনামের সভাপতিত্বে বিশেষ  অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাজমা মোবারেক। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সচিব নাজমা মোবারেক বলেন, হানাদার বাহিনী দেশকে মেধা শুণ্য করতে তালিকা করে দেশের সুর্য সন্তানদের হত্যা করে। যার ফলে জাতি তার শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হারায়।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত সচিব মো. মুহিবুজ্জামান, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. কেয়া খান,  জাতীয় মহিলা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক আবেদা আক্তার ও দপ্তর সংস্থার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ।