আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের শরিক দলগুলোর সঙ্গে ৭টি আসনে দফা রফা করেছে ক্ষমতাসীনরা। ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদ ও জাতীয় পার্টি (জেপি) এ তিনটি দলকে ৭টি আসন দিয়ে জোটের দুঃখ দূর করা হয়েছে।
জোট সঙ্গী তরিকত ফেডারেশনকে এবার আসন দেওয়া হয়নি। দফায় দফায় বৈঠক করে শেষ পর্যন্ত নৌকা প্রতীক নিতে পেরেছে শরিকেরা। তবে শরিক দলগুলোর স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রত্যাহারের দাবি রাখেনি আওয়ামী লীগ। নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করলেও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সঙ্গে ভোট যুদ্ধ থেকেই যাচ্ছে।
জোটের শরিক একাধিক নেতা দেশ রূপান্তরকে বলেন, তরিকত ফেডারেশনকে এবার কোনো আসন না দিয়ে ওই আসনটি এবার তরিকত ফেডারেশন চেয়ারম্যান নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারির ভাতিজা চট্রগ্রাম-২ সুপ্রিম পার্টির শাহজাদা সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমেদকে দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী দেশ রূপান্তরকে বলেন, আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তের প্রতি আস্থাশীল। এখনও দুই দিন সময় আছে, দেখা যাক।
এ প্রসঙ্গে ১৪ দলের সমন্বয়ক ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য আমির হোসেন আমু দেশ রূপান্তরকে বলেন, জোটের শরিক দলগুলোর সঙ্গে ৭টি আসনে সমঝোতা হয়েছে। তিনি বলেন, জাসদকে ৩টা আসন দেওয়া হয়েছে। ওয়ার্কাস পার্টিকেও ৩টা। জাতীয় পার্টি (জেপি) ১টা।
জানা গেছে, বরিশাল-৩ আসনে রাশেদ খান মেনন, রাজশাহী-২ আসনে ফজলে হোসেন বাদশা ও সাতক্ষীরা-১ আসনে মুস্তফা লুৎফুল্লাহআসন। এসব আসনে দলীয় প্রার্থীর বদলে ওয়ার্কার্স পার্টি নৌকায় নির্বাচন করবে।
জাসদকে ছাড়ের তালিকায় আছে কুষ্টিয়া -২ আসনে হাসানুল হক ইনু, বগুড়া-৪ আসনে এ কে এম রেজাউল করিম তানসেন ও লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে মোশাররফ হোসেন নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করবেন। জোটের আরেক শরিক জাতীয় পার্টিকে (জেপি) পিরোজপুর-২ আসনে আনোয়ার হোসেন মঞ্জুকে ছাড় দেওয়া হবে।