বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডকে ফের হারিয়ে দিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ

ইনিংসের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত খেললেন ব্র্যান্ডন কিং। ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়া দলকে টানলেন তিনি। তার বিধ্বংসী ইনিংসের সঙ্গে খুনে ফিফটি করলেন রভম্যান পাওয়েল। তাতে লড়ার মতো পুঁজি গড়ে টি-টোয়েন্টির বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডকে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে হারিয়ে দিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

গ্রেনাডায় দ্বিতীয় ম্যাচ ১০ রানে জিতেছে ক্যারিবিয়ানরা। পাঁচ টি-টোয়েন্টির সিরিজে তারা এগিয়ে ২-০তে। ২৭৬ রানের পুঁজি গড়ে প্রতিপক্ষকে স্বাগতিকরা থামিয়ে দিয়েছে ১৬৬ রানে।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই জয়ের বড় কারিগর কিং ৫ ছক্কা ও ৮ চারে ৫২ বলে ৮২ রান করে হন ম্যাচ সেরা। অবদান কম নয় অধিনায়ক পাওয়েলের। ৫ ছক্কা ও ৩ চারে ২৮ বলে ৫০ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন তিনি।

ইংল্যান্ডের হয়ে পঞ্চাশ ছুঁয়েছেন কেবল একজন, স্যাম কারান। ৩ ছক্কা ও ৪টি চারে ৩২ বলে ঠিক ৫০ রান এসেছে তার ব্যাট থেকে।

টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা খারাপ হয়নি ক্যারিবিয়ানদের। ৪৩ রানের জুটি গড়েন কাইল মেয়ার্স ও কিং। তাদের উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পর ছোটখাটো ধস নামে তাদের ব্যাটিংয়ে। আর ১১ রান তুলতেই তারা হারিয়ে ফেলে আরও ৩ উইকেট।

৫৪ রানে ৪ উইকেট হারানো দলের হাল ধরেন কিং ও পাওয়েল। দুইজনে গড়েন ৮০ রানের জুটি। ষোড়শ ওভারে ভাঙে তাদের প্রতিরোধ। ওই ওভারেই কারানের ওপর ঝড় বইয়ে দেন পাওয়েল। চারটি ছক্কার সঙ্গে মারেন একটি চার। দুটি ওয়াইডে ওভার থেকে আসে ৩০ রান!

পরের ওভারে রেহান আহমেদকে তিন চার ও এক ছক্কায় উড়িয়ে ১৮ রান নেন কিং। তাতেই দেড়শ পেরিয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান। শেষ ওভারের শেষ দুই বলে উইকেট হারানোর আগে ১১ রান তোলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সব মিলিয়ে শেষ পাঁচ ওভারে ৭৩ রান যোগ হয়ে স্বাগতিকদের স্কোরবোর্ডে।

রান তাড়ায় শুরুতেই জস বাটলারকে হারিয়ে ফেলে ইংল্যান্ড। প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা চালান ফিল সল্ট (২৫) ও উইল জ্যাকস (২৪)। কিন্তু বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি তারা। সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মাঝে এক প্রান্তে নিজের মতো খেলে যান চার নম্বরে নামা কারান। ফিফটি ছোঁয়ার পর বেজে যায় তার বিদায়ঘণ্টা। এরপর মইন আলির ১৩ বলে ২২ রানের ক্যামিও ইনিংস ও রেহানের ৩ বলে ১০ রানে কিছুটা উত্তেজনা ছড়ালেও ম্যাচ জিততে পারেনি সফরকারীরা।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন আলজারি জোসেফ। দুটি প্রাপ্তি আকিল হোসেনের।