বিশ্বকাপে যাওয়ার আগে জানিয়েছিলেন, টুর্নামেন্ট শেষে আর একদিনও অধিনায়কত্ব করবেন না তিনি। তবে সুর পাল্টালেন তিনি। দলের প্রয়োজন হলে নাকি আরও কিছুদিন নেতৃত্ব চালিয়ে যেতে চান তিনি। তবে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন নির্বাচনের শেষে।
শুক্রবার (১৬ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ছাত্রলীগ আয়োজিত বিএসএল আড্ডায় এসব কথা বলেন সাকিব আল হাসান। অনুষ্ঠানে সঞ্চালক হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।
সেখানে সাকিব নেতৃত্ব নিয়ে বলেন, ‘এই সিরিজের পর আমাদের নির্বাচনটাও শেষ হবে। নির্বাচন শেষে আমরা একটা সিদ্ধান্ত নিবো। কীভাবে দেশের ক্রিকেটকে এগিয়ে নেয়া যায়। সবাই মিলে চিন্তা করে যেটা ভালো মনে হয় আমরা সেটাই করবো। যদি মনে হয় আমার আরও কিছুদিন কন্টিনিউ করা উচিত তাহলে সেটাই।
আর যদি মনে হয়, শান্ত-মিরাজ-লিটনরা আছে ভালো কিছু করার সম্ভাবনা ওদের মধ্যে আছে। ওরা আরও বেশি ইয়াং, এনার্জেটিক। খারাপ হওয়ার কোনো কারণ আমি দেখি না।’
অবসরের পরের পরিকল্পনা নিয়ে সাকিব জানান, রাজনীতি নিয়েই থাকতে চান তিনি। নিজ জন্মভূমি মাগুরার উন্নয়নে কাজ করতে চান। অবসরের পর আরও বেশি সময় পাওয়া যাবে ফলে রাজনীতিতে বেশি মনোনিবেশ করা যাবে।
অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান বিসিবি সভাপতি হলে কি করবেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ক্রিকেটের বেইজ শক্তিশালী করার পাশাপাশি ক্রিকেটের সুযোগ সুবিধা বাড়াতে কাজ করবেন তিনি। বয়সভিত্তিক ক্রিকেট এবং স্কুল ক্রিকেট নিয়েও কাজ করার ইচ্ছা আছে। তরুণ ক্রিকেটারদের যত বেশি খেলার সুযোগ করে দেয়া হবে তত ভালো মানের উদীয়মান ক্রিকেটার আসবে বলেও মন্তব্য করেন সাকিব।’
অনুষ্ঠানে সাকিবের ব্যাক্তিগত এবং পারিবারিক জীবন নিয়েও কথা হয়। মাগুরার মানুষ ভোট দিয়ে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত করলে মানুষের বিশ্বাসের প্রতিদান দিবেন বলেও অঙ্গীকার করেন সাকিব।