৮৯ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট পেয়ে আবারও মিসরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি। এর মাধ্যমে তিনি তৃতীয়বারের মতো দেশটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন। সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) দেশটির নির্বাচনী কর্তৃপক্ষের বরাতে এ তথ্য জানায় ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
নির্বাচনী কর্তৃপক্ষের প্রধান হাজেম বাদাওয়ি বলেন, এবার ভোটদানের হার ছিল অভূতপূর্ব। ৬৭ মিলিয়ন ভোটারের মধ্যে ভোটের হার ছিল ৬৬ দশমিক ৮ শতাংশ। এর মধ্যে সাবেক সেনাপ্রধান সিসি পেয়েছেন ৩৯ মিলিয়নের বেশি ভোট। এর আগে ২০১৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৪১ শতাংশ।
গত ১০ থেকে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিন দিন ধরে এই ভোট অনুষ্ঠিত হয়। এবারের নির্বাচনে সিসির সঙ্গে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও তাদের মধ্যে কেউ হাই-প্রোফাইল ছিলেন না। দেশটির সংবিধান অনুসারে, এটিই হবে সিসির শেষ মেয়াদ। এরপর আর তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে পারবেন না।
এদিকে সমালোচকরা বলছেন, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের এই ফল পূর্বনির্ধারিত ছিল। রয়টার্সের সাংবাদিকরা কয়েকটি ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের মধ্যে খাবারের ব্যাগ বিতরণ করতে দেখেছেন, যা ফৌজদারি অপরাধ। তবে কিছু ভোটার বলছেন, গাজা সংঘাতের কারণে তারা সিসিকে ভোট দিতে উৎসাহিত হয়েছেন। যেহেতু তিনি নিজেকে মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতার রক্ষাকবচ হিসেবে উপস্থাপন করেছেন।
ফল ঘোষণার পর সিসির মুখেও এমন কথাই শোনা গেছে। তিনি বলেন, মিসরীয়রা পরবর্তী মেয়াদের জন্য তাদের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করেনি, বরং বিশ্বের কাছে এই অমানবিক যুদ্ধ প্রত্যাখ্যান করার জন্য ভোট দিয়েছে।