নির্বাচন বর্জন ও ভোটদান থেকে বিরত থাকার আহ্বান জামায়াতে ইসলামীর 

ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের গণ-আন্দোলনের অংশ হিসেবে নির্বাচন বর্জন ও ভোট দেয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে রাজধানীতে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা। 

শুক্রবার (২২ ডিসেম্বর) সকালে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ জামায়াতের উদ্যোগে পৃথক পৃথকভাবে এসব কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। 

উত্তরে আজমপুর মিরপুর, ভাষানটেক, কাফরুল, তালতলা বাজার, কারওয়ান বাজারসহ ৫৩টি থানায় এবং দক্ষিণে পল্টন, মতিঝিল, খিলগাঁও, যাত্রাবাড়ী, ওয়ারী, বংশাল, লালবাগ, চকবাজার, শাহবাগ, সবুজবাগ, রমনা, ধানমণ্ডি, কোতোয়ালি, মুগদা, নিউমার্কেট, কলাবাগান, হাজারীবাগ, কদমতলী, শ্যামপুর, সূত্রাপুর, গেন্ডারিয়া, ডেমরা, শাহজাহানপুরসহ ঢাকার ৬৮টি সাংগঠনিক থানায় একযোগে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করা হয়। 

এ সময় ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল দেলাওয়ার হোসেন বলেন, বর্তমান ক্ষমতালোভী আওয়ামী সরকার ২০১৪ ও ২০১৮ সালের মতো করে দেশে আরেকটি প্রহসনের নির্বাচন বাস্তবায়নে মরিয়া হয়ে উঠেছে। আওয়ামী সরকারের আজ্ঞাবহ এই নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিলকে দেশের জনগণ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। ইতোমধ্যেই জনগণ ও বিরোধী সকল রাজনৈতিক দল এই নির্বাচনকে বর্জন করেছে। এই অবৈধ সরকার ৭ জানুয়ারি যে নির্বাচনী খেলা ও প্রহসনের নাটক তৈরি করেছে, সচেতন নাগরিক হিসেবে সেই নির্বাচন বর্জন ও ভোটদান থেকে বিরত থেকে সরকারের ভোটাধিকার হরণের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করার জন্য আমরা ঢাকাবাসীকে আহ্বান জানাচ্ছি। 

তিনি বলেন, সরকার সকল দলের অংশগ্রহণে অর্থবহ নির্বাচনের পরিবর্তে ডামি নির্বাচনের ব্যবস্থা করেছে। নির্বাচন কমিশনকে ঠুঁটো জগন্নাথে পরিণত করে পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে ধ্বংস করে দিয়েছে। তাই দেশের স্বার্থে, জনগণের অধিকার আদায়ের স্বার্থে এই পাতানো নির্বাচনে কোনো প্রকার সহযোগিতা না করার জন্য নির্বাচনের সঙ্গে সম্পৃক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি আহ্বান জানান। একই সঙ্গে এই অবৈধ সরকারের নির্দেশনা পালন থেকে বিরত থেকে জনগণের সেবক হিসেবে ভূমিকা পালনের জন্য প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতিও আহ্বান জানাচ্ছি।

এদিকে লিফলেট বিতরণকালে ঢাকা মহানগ উত্তরের সেক্রেটারি জেনারেল ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, ক্ষমতাসীনরা কেয়ারটেকার সরকারের গণদাবি উপেক্ষা করে নির্বাচনের নামে কানামাছি খেলা শুরু করেছে। এজন্য বেছে নেয়া হয়েছে নাম-পরিচয়হীন রাজনৈতিক এতিম ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গহীন নির্বাচনী ভিক্ষুকদের