আ.লীগ নেতা বললেন পায়ের মাটি সরে যেতে দেখে নৌকা প্রার্থী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রচার প্রচারণায় বাধা, হামলা ও হুমকির অভিযোগ করেছেন গাজীপুর-২ আসনের ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী আলিম উদ্দিন বুদ্দিন।

আজ রবিবার (২৪ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে টঙ্গীর চেরাগ আলী এলাকায় সংবাদ সম্মেলনে নৌকার সমর্থক ও নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে তিনি এসব অভিযোগ করেন।

এ সময় গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম, আওয়ামী লীগ নেতা রজব আলী, ইঞ্জিনিয়ার হেলাল উদ্দিন, মোঃ নজরুল ইসলাম, জাহিদুল ইসলাম টিপু, এম এম নাসির, সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র রাখি সরকারসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পরে স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী আলিমুদ্দিন উদ্দিন টঙ্গীর বিভিন্ন এলাকায় ট্রাক প্রতীকের পক্ষে কয়েকটি পথসভা ও প্রচাণায় অংশগ্রহণ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে কাজী আলিম উদ্দিন বুদ্দিন বলেন, ‘টঙ্গীতে আমাদের বিজয় মিছিল ছিল, নির্বাচনী প্রচারণা ছিল না। সেই মিছিলকে বানচাল করার জন্য বাধা দিল, গেট বন্ধ করে দিল, আমাদের কর্মীদের মারধর করল এবং আমাদের মাইক নিয়ে গেল। তারা এই বাধার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা, বাংলাদেশকে বাধা দিয়েছে। এ ছাড়া তারা আমাদের কর্মী-সমর্থকদের বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে। পায়ের মাটি সরে যেতে দেখে নৌকার প্রার্থী ও সমর্থকেরা এখন নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে।’

সংবাদ সম্মেলনে নৌকার প্রার্থী জাহিদ আহসান রাসেলকে উদ্দেশ্য করে বুদ্দিন বলেন, ‘১৮ বছরে গাজীপুর ও টঙ্গীতে কোনো উন্নয়ন হয়নি। মানুষকে জিম্মি করে চাচা-ভাতিজা মিলে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করেছে। এসব নিয়ে চায়ের স্টলে বসে পত্রিকার খবর পড়ে মানুষ সমালোচনা করে। আমি নির্বাচিত হলে ৭১ সালে যেভাবে হানাদার মুক্ত করেছি ঠিক সেভাবে সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমকে সঙ্গে নিয়ে গাজীপুর ও টঙ্গীকে হানাদার মুক্ত করব।’

সংবাদ সম্মেলনে গাজীপুর সিটির সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘২২ ডিসেম্বর নৌকা প্রতীকের প্রার্থী প্রতিমন্ত্রী রাসেলের পালিত সন্ত্রাসীরা আমাদের চারটি মাইক ছিনিয়ে নিয়েছে। কলেজ গেটে তালা দিয়েছে। তারা আমাদের লোকজনকে মারধরও করেছে।’

জাহাঙ্গীর আলম সকল অভিযোগ মিডিয়ার মাধ্যমে করা হবে জানিয়ে বলেন, ‘সুষ্ঠু ভোট অনুষ্ঠানে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অভিযোগগুলো প্রশাসন মিডিয়ার মাধ্যমে জানবে। আমরা সরাসরি অভিযোগ দেব না।’