খুলনা কেন্দ্রীয় খাদ্য গুদামের (সিএসডি) সাবেক সহকারী (দায়িত্বপ্রাপ্ত) ম্যানেজার শেখ মঈন উল ইসলামের বিরুদ্ধে (অবসরপ্রাপ্ত) ১২ লাখ ২৯ হাজার ২৫২ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন এবং জ্ঞাত আয় বহির্ভূত ৩৫ লাখ ৯৭ হাজার ৪৯৭ টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। তিনি খাদ্য বিভাগে চাকরীরত অবস্থায় অবৈধ পন্থায় এই সম্পদ অর্জন করেন। এমন অভিযোগে রবিবার (২৪ ডিসেম্বর) তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় খুলনার সহকারী পরিচালক মো. আল আমিন এই মামলা করেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, আসামি শেখ মঈন উল ইসলামের খুলনা নগরীর জাহিদুর রহমান সড়কে চারতলা একটি বাড়ি আছে। বাড়িটির নির্মাণ ব্যয় ৭২ লাখ ৩৩ হাজার ১৯৪ টাকা। কিন্তু প্রকৃত ব্যয় দেখানো হয়েছে ৮৪ লাখ ৩৩ হাজার ২৮০ টাকা।
এতে ১২ লাখ ৮৬ টাকার তথ্য গোপন করেছেন তিনি। সম্পদ বিবরণীতে তিনি ২০ লাখ ৬০ হাজার টাকা অস্থাবর সম্পদ দেখিয়েছেন। অথচ তার ডাচ বাংল ব্যাংক লিমিটেড মাগুরা শাখায় (২৬৭১৫৭০০০০১৫২) নং একাউন্টে ২০১৯ সালের ২ এপ্রিল পর্যন্ত ২৯ হাজার ১৬৬ টাকা স্থিতি ছিল। বর্তমানে তার ২ লাখ ৩৫ হাজার ১৬৬ টাকার অস্থাবর সম্পদ রয়েছে। তিনি দাখিলকৃত সম্পদের হিসাবে ২৯ হাজার ১৬৬ টাকার তথ্য গোপন করেন।
আসামি কমিশনে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে ৭৩ লাখ ৪৯ হাজার ১৯৪ টাকার স্থাবর ও ২ লাখ ৬০ হাজার টাকার অস্থাবর দেখান। এতে তার মোট সম্পদ দাঁড়ায় ৭৫ লাখ ৫৫ হাজার ১৯৪ টাকা। কিন্তু তার ৮৭ লাখ ৮৪ হাজার ৪৪৬ টাকার সম্পদ রয়েছে। তিনি কমিশনে ১২ লাখ ২৯ হাজার ২৫২ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন।
এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪ এর ২৭(১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করায় তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪ এর ২৬(২) ধারা ও ২৭(১) ধারায় মামলা করা হয়েছে।