সদ্যই মুক্তি পেয়েছে তার অভিনীত বছরের শেষ নাটক ‘পথে হলো দেরী’। জাকারিয়া সৌখিন পরিচালিত এ নাটকটি নিয়ে শুরু থেকেই দর্শক আগ্রহ ছিল ব্যাপক। টিজার ও ট্রেলারের সুবাদে এরইমধ্যে প্রশংসায় ভাসছেন অপূর্ব ও সংশ্লিষ্টরা। বেশিরভাগ দর্শকই মনে করছেন, বছর শেষে অপূর্বর বড় কামব্যাক এই নাটকটি। যার প্রমাণ মেলে মুক্তির পরও। উন্মুক্ত হওয়ার এগারো ঘন্টাতেই দশ লাখ দর্শক নাটকটি দেখেছে। মন্তব্যের ঘরে মিলছে প্রশংসা। নাটকের পাশাপাশি গানগুলোও মন কেড়েছে শ্রোতাদর্শকদের।
ইউটিউবে মন্তব্যের ঘরে ভারতীয় একজন লিখেন, ‘অসম্ভব সুন্দর একটা নাটক। এক ঘন্টা ৩৬ মিনিট পুরোটা সময় দেখার মত ছিল। বলতে গেলে একদম হৃদয় ছুঁয়ে গেছে।’
আরেকজন লিখেন, ‘আমি আবারও নতুন করে গল্পের প্রেমে পড়ে গেলাম। হতে পারে সেটা মানুষের নয়, গল্পের প্রেম। কিন্ত গল্পও যে মানুষ হতে পারে সেটাই অসাধারণভাবে দেখালেন পরিচালক।’
গল্প, জার্নি, নির্মাণ, অভিনয়ের প্রশংসা করে একজন লিখেন, ‘জার্নি, রোমান্স, ইমোশন সব মিলিয়ে অসম্ভব সুন্দর একটি নাটক। কি দারুণ! উপভোগ করার মত একটা নাটক। এই ১ ঘণ্টা ৩৬ মিনিট কখন যে চলে গেল টেরই পেলাম না। মনে হলো আমিও নিজে এই পথের মধ্য ছিলাম। অপূর্ব, তটিনী যার যার জায়গা থেকে অসাধারণ। তটিনী ধীরে ধীরে পরিণত একজন অভিনেত্রী হয়ে উঠেছে। এছাড়া নাটকের লোকেশন, গ্রামীণ দৃশ্য, বিজিএম মনোমুগ্ধকর। নাটকের মাঝখানে হাস্যোজ্জ্বল কিছু মুহূর্ত মজার ছিল। সব মিলিয়ে দারুণ মেকিং। পুরো টিমকে অনেক ধন্যবাদ সুন্দর একটি নাটক দর্শকদের মাঝে উপহার দেওয়ার জন্য।’
নাটকটির পরিচালক জানান, ১১ দিন এডিটিং প্যানেলে বন্দী ছিলাম। শেষ ৪ দিন একটুও ঘুমাইনি। ঘুম তাড়ানোর জন্য ৫-১০ মিনিট পরপরই কফি খেয়েছি। নাটকটি রিলিজ করে দিয়েই একটা ঘুম দিলাম। ঘুম থেকে উঠেই আমি জাস্ট চমকে গিয়েছি। ‘পথে হলো দেরী’ নিয়ে সবার এতো উচ্ছ্বাস-আনন্দ-আবেগ দেখে নিজেকে খুব সৌভাগ্যবান মনে হচ্ছে। সত্যি বলছি— এমন রেসপন্স পাওয়ার জন্য ৪ রাত কেন, ৪ হাজার রাত নির্ঘুম কাঁটিয়ে দেয়া যায়।
তিনি বলেন, ‘মাত্রই তো রিলিজ হলো তারপরও সবাই যেভাবে প্রশংসা করছেন সেটা দারুণ। টিমের প্রত্যেকেই অনেক পরিশ্রম করেছেন কাজটির জন্য। দর্শকদের এমন রেসপন্স পেলে কিন্তু আমাদের সব কষ্ট নিমিষেই দূর হয়ে যায়।’
নাটকটিতে অপূর্ব ছাড়া আরও অভিনয় করেছেন তানজিম সাইয়ারা, মনোজ প্রামাণিক, সালহা খানম নাদিয়া প্রমুখ।