আ. লীগ নেতা বললেন

গতবার মধ্যরাতে মেসেজ আসার পরই ৬০ শতাংশ ভোট মেরে দেওয়া হয়েছে

কক্সবাজার মহেশখালী উপজেলার আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আজিজুল হক বলেছেন, ‘২০১৮ সালের নির্বাচনের আগের রাত ১২টা ১ মিনিটে উপর থেকে আসা ক্ষুদে বার্তার  পরই মধ্যরাতেই ৬০ শতাংশ ভোট মেরে দেওয়া হয়েছে।’

গতকাল সোমবার (২৫ শে ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় কুতুবদিয়া-মহেশখালী আসনে বিএনএম মনোনীত নোঙর মার্কার সদস্য প্রার্থী মুহাম্মদ শরীফ বাদশার নির্বাচনী পথসভায় গিয়ে আজিজুল হক নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আশেক উল্লাহ রফিককে উদ্দেশ্য করে এসব কথা বলেন।

এছাড়া তিনি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির  ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট সিরাজুল মোস্তফার ছোট ভাই। সিরাজুল মোস্তাফা ২০১৮ সালের  সেই নির্বাচন এর সময়  কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন।

সোমবার নোঙর মার্কার সংসদ সদস্য প্রার্থী মুহাম্মদ শরীফ বাদশার প্রচারণায় গিয়ে আজিজুল হক বলেন, আমি আজকে বুকে হাত দিয়ে আপনাদের সামনে কসম করে বলি। আমি আজ বাধ্য হয়ে নৌকার বিরুদ্ধে ভোট নিতে এসেছি। আমাদের এখন অনেক ব্যথা। 

নৌকার প্রার্থী আশেক উল্লাহ রফিককে উদ্দেশ্য করে উপজেলা আওয়ামী লীগের এই সহ সভাপতি বলেন, ‘আপনি যে বার প্রথম এমপি নির্বাচিত হয়েছেন, তখন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় হয়েছেন। আপনাকে ভোট দেয়া লাগে নাই। এর পরবর্তীতে যে বার আপনি এমপি নির্বাচিত হয়েছেন, তখন ঠিক রাতের ১২ টা ১ মিনিটে আমাদের কাছে মেসেজ আসে, স্ব স্ব কেন্দ্রে আপনারা ৬০ শতাংশ ভোট নিয়ে ফেলেন। অর্থাৎ শতকরা ৬০ ভোট নিয়ে ফেলেন। যেন আওয়ামী লীগের বিজয় নিশ্চিত হয়।’

আজিজুল হক বলেন, ‘তখন দিনের বেলায় আরও ৪০ শতাংশ ভোট থাকে। তবে সেই ৪০ শতাংশ ভোট যদি বিএনপির বাক্সেও  চলে যেতো, এরা কখনও নির্বাচিত হতে পারতো না। আপনি ওই বছর রাতে ১২ টা ১ মিনিটের ভোটে  সেভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।’

এই বক্তব্য নিয়ে মন্তব্য জানতে আওয়ামী লীগ নেতা আজিজুল হককে ফোন দেয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।