চলচ্চিত্রের দৃশ্যপট বদলাতে চাই

আদ্যোপান্ত একজন সংস্কৃতিপ্রেমী ব্যক্তিত্ব আরশাদ আদনান। কবিতার প্রেমে পড়ে সংস্কৃতি অঙ্গনে তার পথচলা। এরপর নাটক-সিনেমা প্রযোজনার মধ্য দিয়ে এ অঙ্গনের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা আরও বেড়ে যায়। তার প্রযোজনা সংস্থা ভার্সেটাইল মিডিয়া থেকে নির্মিত ‘ইউটার্ন’, ‘সুলতানা বিবিয়ানা’ সিনেমা দর্শকের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছে।

সর্বশেষ তার প্রযোজিত ‘প্রিয়তমা’ সিনেমাটি চলতি বছরের সর্বাধিক আলোচিত ও ব্যবসাসফল। সিনেমাটি মুক্তির পর থেকে এখন পর্যন্ত আলোচনায় থাকার নেপথ্য নায়ক এই আরশাদ আদনান।

একজন প্রযোজক হিসেবে পরিচালককে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেওয়া এবং সিনেমা মুক্তির পর থেকে দেশ-বিদেশের সব শ্রেণির দর্শকের ‘প্রিয়তমা’র প্রতি ভালোবাসাই সিনেমাটিকে বর্তমান সময়ের অন্যতম সেরা সিনেমায় পরিণত করেছে।

আরশাদ আদনান বলেন, ‘মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে অসীম কৃতজ্ঞতা। সেই সঙ্গে সব দর্শকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, এমনকি শাকিবিয়ানদের প্রতিও। একটি সিনেমার গল্প, নির্মাণশৈলী, শিল্পীদের অভিনয়, গল্প অনুযায়ী গান সর্বোপরি একটি পরিপূর্ণ সিনেমা নির্মিত হলে তা যে দর্শক দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করেন “প্রিয়তমা”ই তার প্রমাণ। আমি মনেপ্রাণে একজন সংস্কৃতিপ্রেমী। এ দেশের সিনেমাশিল্প নিয়ে আমার ভাবনা অসীম। আমি সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সবার কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের সার্বিক পরিস্থিতির আরও উন্নতি করতে চাই। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের সিনেমার বড় বাজার সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখতে চাই। চলচ্চিত্রের উন্নয়নের জন্য চলচ্চিত্র-সংশ্লিষ্ট যে কারও পরামর্শ শুনতেও আমি প্রস্তুত। আমার বিশ্বাস আমার প্রযোজনায় নির্মিত রাজকুমারও দর্শকপ্রিয়তা পাবে, প্রিয়তমাকেও ছাড়িয়ে যাবে। কারণ শাকিব খানসহ এতে যারা অভিনয় করেছেন, তাদের প্রতি এবং সর্বোপরি হিমেলের প্রতি আমার সেই অগাধ বিশ্বাস আছে। আমি নিজেও সবার সহযোগিতায় আরও এগিয়ে যেতে চাই। একজন নিবেদিত প্রযোজক হিসেবে বাংলা চলচ্চিত্রের দৃশ্যপট বদলাতে আরও ভূমিকা রাখতে চাই।’