সেই স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রার্থিতা বহাল আদেশ প্রত্যাহার

সরকারি চাকরির তথ্য গোপন করে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুন্ড) আসনে প্রার্থী হওয়া সীতাকুন্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য সহকারী মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের প্রার্থিতা বহালের আদেশ প্রত্যাহার করে নিয়েছে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। একইসঙ্গে তথ্য গোপন করে প্রার্থী হওয়ায় তাকে ১ লাখ টাকা জরিমানাও করেছে আদালত।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল রবিবার আপিল বিভাগের অবকাশকালীন চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম এ আদেশ দেন। আদালতে ইসির পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খান মোহাম্মদ শামীম আজিজ। সালাউদ্দিনের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট-অন-রেকর্ড আব্দুল হাই। এর আগে তার প্রার্থিতার বিষয়ে চেম্বার আদালতের দেওয়া আদেশ প্রত্যাহারের (ভ্যাকেট) জন্য ইসি আবেদন করলে আগের দেওয়া আদেশ প্রত্যাহার করে নেয় আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।

ইসির পক্ষের আইনজীবী খান মোহাম্মদ শামীম আজিজ সাংবাদিকদের বলেন, আগামী সাত দিনের মধ্যে সালাহউদ্দিনকে জরিমানার অর্থ পরিশোধ করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) ও চট্টগ্রামের সিভিল সার্জনকে বিষয়টি তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে আদেশ দিয়েছে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।

চট্টগ্রাম-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নেওয়া সালাউদ্দিন সরকারি কর্মচারী হওয়ার পরও তথ্য গোপন করে মনোনয়নপত্র জমা দেন। যদিও এক শতাংশ ভোটারের তথ্যে গরমিল থাকায় তার মনোনয়ন বাদ পড়ে। পরে ইসিতে আপিল করলে সেখানেও বাদ পড়েন তিনি। পরে আদালতের আদেশে প্রার্থিতা ফিরে  পেয়ে রকেট প্রতীক নিয়ে নির্বাচনের মাঠে নামেন।

গত ২৩ নভেম্বর সালাউদ্দিনকে শোকজ করেন সীতাকুন্ড উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নুর উদ্দিন। কিন্তু শোকজের  জবাব দেননি তিনি। জবাব না দেওয়ায় এবং ছুটি না নিয়ে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় চলতি মাসের ১৮ ডিসেম্বর এবং ২৪ ডিসেম্বর সালাউদ্দিনকে দুই দফায় শোকজ করে স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ। পরে বিষয়টি কমিশনকেও জানানো হয়।