সবেমাত্র পেছনে ফেলে আসা বছরটিকে যুদ্ধের বছর বলে অনেকেই অভিহিত করতে পারেন। আর বছরজুড়েই বিশ্বযুদ্ধ শব্দটি রাজনীতিবিদ থেকে শুরু করে অ্যাকাডেমিক, সংবাদ ভাষ্যকার, ইতিহাসবিদ এমনকি সাধারণ মানুষের মুখেও বেশ উচ্চারিত হয়েছে শঙ্কা নিয়ে। অবশ্য আমেরিকার রাজনীতিতে বিষয়টি আলোচনায় আসে ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন প্রেসিডেন্ট ছিলেন। সে সময় আমেরিকানদের অনেকেই ভয় পাচ্ছিলেন যে, প্রথাগত রাজনীতির বাইরে থেকে আসায় অনভিজ্ঞ ও চপলমতি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ বাধিয়ে ফেলবেন কি না। কিন্তু তার এবারের নির্বাচনী প্রচারণার ভিত্তিই হলো বিশ্বকে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ এড়ানোর দিকে নিয়ে যাওয়া। সম্প্রতি একটি তহবিল সংগ্রহের জন্য করা ই-মেইলে ট্রাম্প দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, ‘ইতিহাসের সবচেয়ে দুর্বল ও অযোগ্য প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আমেরিকাকে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিয়ে আমাদের দেশকে ধ্বংস করছেন। এ পরিস্থিতি দেখে প্রকৃতপক্ষে আমার হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে।’ নির্বাচনী প্রচারণায় ট্রাম্প জোর দিয়ে বলছেন তিনিই ‘একমাত্র ব্যক্তি, যিনি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ প্রতিরোধ করতে পারেন।’
বিশ্বনেতাদের অনেকেই মনে করছেন রাশিয়া-ইউক্রেন ও ইসরায়েল-হামাসের চলমান যুদ্ধের মধ্যেই আরেকটি বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কা বাড়ছে। এখানে ডোনাল্ড ট্রাম্প ওই রাজনীতিকদের মধ্যে একজন যিনি বিশ্বযুদ্ধের কথা বলতে গিয়ে শঙ্কাময় ভাষা ব্যবহার করেছেন।
বামপন্থি-ডানপন্থি থেকে শুরু করে হোয়াইট হাউজ পর্যন্ত কোথাও গত ৮০ বছর ধরে এমন বৈশ্বিক সংঘাত নিয়ে এমন ভয়ংকর পরিস্থিতি দেখা যায়নি। আর ইতিহাসবিদরা এ ধরনের ভাষাকে সময়োপযোগী বলে মনে না করলেও, এই পরিস্থিতি একটি উপযুক্ত রেটোরিক্যালে পরিণত হয়েছে। বিংশ শতাব্দীর যুদ্ধের ইতিহাসবিদ এবং ইয়েল ইউনিভার্সিটির ইমেরিটাস প্রফেসর জে উইন্টার বলেন, ‘আমার মনে হয় এটি এমন এক ভাষা, যা টিকিয়ে রাখার জন্য বাস্তবসম্মত ক্ষমতার বাইরেও এর প্রসার ঘটানো হচ্ছে।’
গত বছর রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণ করার পর আমেরিকান সাইকোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন একটি সমীক্ষা পরিচালনা করে। সমীক্ষায় দেখা গেছে প্রতি দশ জনের মধ্যে সাত জন আমেরিকান আশঙ্কা করছেন যে, তারা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছেন। তাদের মধ্যে এ অনুভূতি তৈরি করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন ও তার মিত্ররা। তারপর থেকে সংস্থাটি এ বিষয়ে কোনো সমীক্ষা না চালালেও হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধ ও মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রাদুর্ভাব সে আশঙ্কাকে আবার সামনে নিয়ে এসেছে বলে মনে হচ্ছে। ভার্জিনিয়ার ডেমোক্রেটিক সিনেটর টিম কাইন এ মাসে দ্য হিল-কে একটি সাক্ষাৎকার দেন, সেখানে তিনি বলেন, ‘মানুষ আমাকে ইদানীং এমন একটি প্রশ্ন করে, যার উত্তর ৩০ বছরের রাজনৈতিক জনজীবনে আমাকে কখনো দিতে হয়নি। প্রশ্নটি হলো: বর্তমান পরিস্থিতি কি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধে রূপ নিতে পারে?’
তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের এ আশঙ্কা নিয়ে ট্রাম্প একাই খেলছেন এমন না। প্রাক্তন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে জোটসঙ্গী রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বী ও বায়োটেক-এর উদ্যোক্তা বিবেক রামাস্বামী গত নভেম্বরে মিয়ামিতে একটি সমাবেশ করেছেন ‘তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ বন্ধ করো’ শিরোনামে। ঠিক তার পরের দিনই নিউ জার্সির গভর্নর ক্রিস ক্রিস্টিও থার্ড ডিবেটে (উদারপন্থি, বাস্তববাদী ও মার্কসবাদীদের প্রণীত আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিভিন্ন থিওরি নিয়ে অ্যাকাডেমিক বিতর্ক) বিশ্বযুদ্ধের কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘আসুন আমরা ইউরোপের যুদ্ধ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার স্মৃতি স্মরণ করি। শেষবারের মতো স্মৃতিচারণ করি সে যুদ্ধের, যার কাছে আমরা কয়েক বছরের জন্য বিক্রি হয়ে গিয়েছিলাম। শুধু তাই নয়, সে যুদ্ধে হিটলারকে পরাজিত করার জন্য ইউরোপে ৫০,০০০ আমেরিকানকে প্রাণ দিতে হয়েছিল।’
বিতর্কটি কেবল রিপাবলিকানদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। বামপন্থি বিভিন্ন ব্যক্তিত্বও গাজায় ইসরায়েলের বোমা হামলার সমালোচনায় তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কা তুলে ধরেছেন। আমেরিকান দার্শনিক, অ্যাকাডেমিক, রাজনৈতিক অ্যাক্টিভিস্ট, জনবুদ্ধিজীবী ও অভিনেতা ডক্টর কর্নেল ওয়েস্ট প্রেসিডেন্ট পদে স্বতন্ত্র নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রচারণায় নেমেছেন জুলাই মাস থেকে। গত মাসে টাইম ম্যাগাজিন তাকে জিজ্ঞেস করেছিল জো বাইডেনের দ্বিতীয় মেয়াদ তার কাছে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের চেয়ে পছন্দের কি না। উত্তরে তিনি জানতে চেয়েছিলেন ‘তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ কি দ্বিতীয় গৃহযুদ্ধের চেয়ে ভালো?’
জো বাইডেন নিজেই দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ইস্যুতে বক্তব্য দেওয়ার সময় যুদ্ধের প্রেতকল্পিত প্রসঙ্গ টেনে আনতে অভ্যস্ত। ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর প্রতিবেদন অনুসারে, রাশিয়া ইউক্রেনে আক্রমণ করার পরপরই প্রেসিডেন্ট বাইডেনকে- ‘আমরা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ এড়াতে চেষ্টা করছি’, কথাটি বলতে বলা হয়েছিল। ঘুরিয়ে ফিরিয়ে একই কথা তার সহযোগীরাও প্রকাশ্যে বার বার বলে গেছেন। তবে সম্প্রতি তার প্রতিদ্বন্দ্বীরাই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধোয়া তুলছেন বেশি।
ইউক্রেনে নিযুক্ত আমেরিকার সাবেক রাষ্ট্রদূত এবং বর্তমানে আটলান্টিক কাউন্সিলের ইউরেশিয়া সেন্টারের সিনিয়র ডিরেক্টর জন অ্যাডওয়ার্ড হার্বস্ট বাইডেন প্রশাসনকে শব্দচয়নের ব্যাপারে আরও সাবধানতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘সরকারের গোপন পরামর্শ সভায় তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ প্রতিহত করা নিয়ে আলাপচারিতা হতে পারে। তবে তাদের এটাও বলা উচিত যে, এ যুদ্ধে তাদের গুরুত্বপূর্ণ স্বার্থ রয়েছে এবং সে গুরুত্বপূর্ণ স্বার্থগুলোর সুরক্ষা তাদেরই নিশ্চিত করতে হবে।’ খুব কম বিশেষজ্ঞই এমনটা মনে করেন যে, তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ নিয়ে হাত পাকানোর অর্থ হলো আমরা এই ধরনের সংকটের দ্বারপ্রান্তে।
কী কী উপাদান একটা বিশ্বযুদ্ধ সংঘাটত করে তা নিয়ে মতবিরোধ থাকলেও এতে সাধারণত আধিপত্য বিস্তারের জন্য লড়াই করা দেশগুলোর দুটি প্রধান শক্তিজোট জড়িত থাকে। মূলত এ পরিস্থিতিতে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়া দুটি দেশের পক্ষের অসংখ্য দেশ একাধিক যুদ্ধক্ষেত্রে একে অপরের বিরুদ্ধে অস্ত্র তুলে নেয়।
১৯৩৯ সালের সেপ্টেম্বরে শুরু হওয়া সংঘাতকে টাইম ম্যাগাজিনই সম্ভবত সর্বপ্রথম ‘দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ’ হিসেবে অভিহিত করে। তবে অন্যরা সেটিকে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিল হুট করে আবির্ভূত হওয়া সাময়িক সংকট হিসেবে।
জাতীয় নিরাপত্তার চাকরি থেকে অবসরপ্রাপ্ত দুই লেখক পি. ডব্লিউ সিংগার এবং আগস্ট কোল তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ কেমন হতে পারে সে সম্পর্কে ২০১৫ সালে টাইম ম্যাগাজিনে একটি প্রবন্ধ লিখেছিলেন। সেখানে তারা ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে, ‘ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন এবং চীনের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা পৃথিবীকে আরেকটি বিশ্বযুদ্ধের দিকে নিয়ে যেতে পারে। এবং এ যুদ্ধ বিস্তৃত হতে পারে মহাকাশে ও সাইবারস্পেসে।
তবে চলমান যুদ্ধগুলো অন্যান্য বিশ্বযুদ্ধের উপসর্গের স্তরে উঠছে বলে মনে করছেন না বিশেষজ্ঞরা। ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের সিনিয়র ফেলো এবং পররাষ্ট্রনীতি গবেষণা পরিচালক মাইকেল ই. ও’হ্যানলন বলেছেন, ‘এ মুহূর্তে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হওয়ার মতো সংকট ও দ্বন্দ্বের মধ্যে যথেষ্ট আন্তঃসংযোগ আমি দেখতে পাচ্ছি না।’
যেহেতু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সঙ্গে দৃঢ়ভাবে পারমাণবিক অস্ত্র জড়িত ছিল, তাই অনেকেই হয়তো রাশিয়া-ইউক্রেন এবং ইসরায়েল-হামাস দ্বন্দ্বের সঙ্গে বিষয়টা গুলিয়ে ফেলছেন। কারণ, রাশিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে। ইসরায়েলের কাছেও রয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। অন্যদিকে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে লড়াই করা গোষ্ঠীসমূহের সমর্থক ইরানেরও নিজস্ব পারমাণবিক কর্মসূচি রয়েছে। তবুও পারমাণবিক হামলার ফলে যে ধরনের আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া হতে পারে তা অবশ্য বিশ্বযুদ্ধের পর্যায়ে উন্নীত হবে না বলে বিশেষজ্ঞরা আশাবাদী। তাদের পর্যবেক্ষণ মতে, ন্যাটো এবং রাশিয়ার মধ্যে একটি যুদ্ধ হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। কিন্তু যারা টাইম ম্যাগাজিনকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন, তারা সবাই সেই সম্ভাব্য সংঘর্ষকে বিশ্বযুদ্ধ হিসেবে আখ্যায়িত করতে দ্বিধাবোধ করেছেন।
যাইহোক, গত বছর রাশিয়া ইউক্রেনে আক্রমণ করার কয়েক মাস পরই ক্রেমলিনের মিত্ররা বারবার বলছিল তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। তারপর থেকে তারা পর্যায়ক্রমে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ আসন্ন বলে সতর্ক করে আসছে।
এ ব্যাপারে র্যান্ড করপোরেশনের সিনিয়র রাজনীতি-বিজ্ঞানী ব্রায়ান ফ্রেডরিকের অভিমত ‘রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ পশ্চিমা বিশ্বের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে এ কথার ওপর জোর প্রদানের জন্য এবং একই সঙ্গে ইউক্রেনের সমর্থন কমানোর উপায় হিসেবে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শব্দটি ব্যবহারের চেষ্টা করা হচ্ছে। ইউক্রেনও প্রায় সময় এই শব্দটি উসকে দিয়েছে।’ ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের ব্যাপারে সতর্ক করে মিত্রদের ঐক্যবদ্ধ রাখার চেষ্টা করে বলেন, ‘যদি রাশিয়া এখানে না থামে তবে যুদ্ধ চলতেই থাকবে এবং এটি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে মোড় নেবে।’
আমেরিকানদের মধ্যে যারা আরেকটা বিশ্বযুদ্ধের বিষয়ে সত্যিকার উদ্বেগ প্রকাশ করছেন, তাদের মধ্যে বৈশ্বিক সংঘাতে গভীরভাবে জড়িয়ে যাওয়ার ব্যাপারে আশঙ্কার প্রকাশ ঘটাতেই পারেন। তবে শব্দটির সংবেদনশীলতা সমস্ত সূক্ষ্ম আলোচনাকে ছাপিয়ে যায়।
ফ্রেডরিক বলেছেন, ‘ইউক্রেনকে সমর্থন করা সত্ত্বেও এমন কিছু লোক অবশ্যই রয়েছেন, যারা সংঘাত বৃদ্ধির ঝুঁকি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তাতে জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা সম্পর্কে সত্যিই চিন্তিত।’ তবে ফ্রেডরিক যুক্তি দেখাচ্ছেন যে, বেশিরভাগ লোক ‘তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ’ শব্দটি ব্যবহার করছেন না। তার মতে, ‘তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ’ হলো এমন একটি সংবেদনশীল শব্দবন্ধ, যা ভালোভাবে সংজ্ঞায়িত নয়।
উইন্টারের মতে, যারা ‘তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ’ শব্দটি বার বার ব্যবহার করছেন, তারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে একটি শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া তৈরির মাধ্যমে ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করছেন। এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে তা প্রতিহত করার মতো ইতিবাচক বিষয় নিয়ে কথা হচ্ছে। ফলে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ নিয়ে হওয়া গুঞ্জনের পুরোটাই সম্পূর্ণ নেতিবাচক নয়।
উইন্টার বলেন, ‘আমাদের পিতামহের প্রজন্মের কাছ থেকে ‘বিশ্বযুদ্ধ’ শব্দটির আবেগপূর্ণ আবেদন ফিরিয়ে এনে উপলব্ধি করতে পারলে দেখবেন তা একই সঙ্গে সর্বশ্রেষ্ঠ এবং সবচেয়ে জঘন্য একটা মুহূর্ত। আর তখনই আপনি বিশ্বযুদ্ধের আবেদন বুঝতে পারবেন বলে আমি মনে করি।’ তবে নতুন বছরেও আমাদের হয়তো বিশ্বযুদ্ধে শঙ্কার মধ্যেই বেশ কিছুদিন কাটাতে হবে।
টাইম ম্যাগাজিন থেকে ভাষান্তর : মোহাম্মদ ফজলে রাব্বি
লেখক: টাইম-এর স্টাফ রাইটার