আনন্দ পানি খেয়ে লায়লাকে মেরেছিলাম: প্রিন্স মামুন

আলোচিত টিকটকার ও মডেল লায়লাকে কেন মেরেছিলেন, সে বিষয়ে অবশেষে মুখ খুললেন প্রিন্স মামুন। যদিও লায়লা বলেছিলেন, প্রিন্স মামুনকে তিনি আর ফিরিয়ে আনবেন না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা একত্রিত হয়েছেন, একসঙ্গে থাকছেন। এবং সেই রাতে কী হয়েছিল সেটাও অন ক্যামেরাতে বললেন। 

প্রিন্স মামুন বলেন, সেদিন রাতে কথা কাটাকাটি হয়েছিল আমাদের মধ্যে। আমি কোথায় যাই, না যাই- এসব নিয়ে বন্ধু বান্ধব নিয়ে ওখানে যেতে পারবা না, এখানে যেতে পারবা না- এসব নিয়ে কথা বলার এক পর্যায়ে হাতাহাতি হয়। যখন ওরে একটা চড় মারলাম, ও আমারে চড় মারলাম। আতখন আমার মাথা ঠিক ছিল না... আর তখন আনন্দ পানি খাওয়া ছিলাম আনন্দভাবে পিটিয়ে দিয়েছিলাম। 

কথা বলার এক পর্যায়ে মামুন হেসে বলেন, উদোম কেলান কেলিয়ে দিয়েছি। কথা শুনে লায়লাকে হাসতে দেখা যায়। অর্থাৎ মারামারির ওই ঘটনা কিংবা প্রিন্স মামুনের হাতে নির্যাতিত হওয়াটাকে স্বাভাবিকভাবেই নিয়েছেন। 

লায়লাকে নাকি প্রকাশ্য রাস্তায় মেরেছেন মামুন। এবার মামুনের বিরুদ্ধে আরেকটি অভিযোগ শোনা গেল, লায়লার কাছে নিয়েছেন ৩০ লাখ টাকা, এমনও অভিযোগ ছিল। 

এছাড়াও মামুনের কারণে পরিবারের সবাই লায়লাকে ত্যাগ করেছে। এমনটাই জানিয়ে আলোচিত এই টিকটকার বলেছিলেন, মামুন আমার জীবনে আসার পরে সবাই আমাকে ত্যাগ করেছে। আমার পরিবারের কেউ আমার সঙ্গে সম্পর্ক রাখেনি। সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করে সবাই আমাকে ছেড়ে গেছে। ওরা যাওয়ার সময় যা যা বলে গেছে এখন তাই তাই ঘটছে। আমার সঙ্গে সম্পর্ক এখন মামুনের সম্পর্ক নেই। ওকে আমার লাইফে আর ফিরিয়ে আনবো না। 

সম্প্রতি মধ্যরাতে লায়লাকে একটি লাইভ ভিডিওতে দেখা যায়, রাজধানীর বারিধারার ফুটপাতে এসে কাঁদছেন। সেই সঙ্গে বলছেন মামুন আমাকে মেরেছে, মামুন আমাকে মদ খেয়ে এসে মোবাইল দিয়ে মেরেছে। দেখুন আমার চেহারা নষ্ট করে দিয়েছে। সে আমার ফেসবুক পেইজ ডিলিট করে দিয়েছে, আপনারা স্ক্রিন রেকর্ডার দিয়ে এই ভিডিও রেকর্ড করেন প্লিজ।