প্রহসনের নির্বাচন বর্জনে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণ করেছে বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)। বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) বিকাল তিনটা থেকে পল্টন, বিজয়নগর, কাকরাইল ও সেগুনবাগিচা এলাকায় লিফলেট বিতরণ করেছে দলটি।
দলটি অভিযোগ করে বলেছে, এবি পার্টির নেতাকর্মীরা স্থানীয় জনসাধারণ, দোকানি ও বিভিন্ন যানবাহনে চলাচলরত মানুষের মাঝে লিফলেট বিতরণ করছিল। বিকেল ৪টার দিকে হঠাৎ ছাত্রলীগের একটি গ্রুপ পুরানা পল্টনের দিক থেকে খোলা ট্রাক ও ৮/১০ টি মোটরসাইকেলযোগে এসে লিফলেট বিতরণকারী কর্মীদের উপর হামলা চালায়, তারা কর্মীদের হাত থেকে লিফলেট কেড়ে নেয় এবং সেগুলোকে এক জায়গায় জড়ো করে আগুন ধরিয়ে দেয়। এসময় এবি পার্টির দুই কর্মী সোহাগ ও মশিউর আহত হয়।
এর আগে কর্মসূচির সূচনায় সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন এবি পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম, বিএম নাজমুল হক ও প্রচার সম্পাদক আনোয়ার সাদাত টুটুল।
অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম বলেন, ‘একটি নির্বাচন হচ্ছে যেখানে দলের প্রার্থী, ডামি প্রার্থী, বিরোধীদলের প্রার্থী সবই ঠিক করছেন একজন। তার হুকুমেই সব নির্ধারণ হচ্ছে। তিনি আর কেউ নয় বর্তমান অবৈধ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার একক ভোটেই যখন সব নির্ধারণ হচ্ছে তখন সেখানে জনগণের ভোটের আর কোনো প্রয়োজন নাই। তাই আমরা জনগণকে অনুরোধ করছি আপনারা কেউ ভোট কেন্দ্রে যাবেন না। দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী ঘৃণ্য এই আওয়ামী চক্রান্তে আপনারা অংশ নিবেন না।’
বিএম নাজমুল হক বলেন, ৭ তারিখের এই নির্বাচন নাটক মঞ্চস্থ করে শেখ হাসিনা আবার লুটের লাইসেন্স নবায়ন করতে চায়। জনগণ এই লাইসেন্স নবায়ন করতে দেবে না। তিনি জনগনের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা কেউ ভোট কেন্দ্রে যাবেন না, বাসায় থাকুন, পরিবারকে সময় দিন। স্বৈরাচারের দোষর হবেন না।
বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন, এবি যুবপার্টির আহ্বায়ক এবিএম খালিদ হাসান, মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আলতাফ হোসাইন, সিনিয়র সহকারী সদস্য সচিব আব্দুল বাসেত মারজান, সহকারী সদস্য সচিব শাহ আব্দুর রহমান, মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল হালিম খোকন, যুগ্ম সদস্য সচিব সফিউল বাসার, কেফায়েত হোসেন তানভীর ছাত্রপক্ষের আহ্বায়ক মোহাম্মদ প্রিন্স, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আব্দুল হালিম নান্নু, সেলিম খান, শাহজাহান ব্যাপারী, আমেনা বেগম, শীলা আক্তার, রিপন মাহমুদ, সহকারী অর্থ সম্পাদক সুমাইয়া শারমিন ফারহানা, পল্টন থানার আহ্বায়ক আব্দুল কাদের মুন্সিসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।