রাজধানীতে রিজভীর নেতৃত্বে লাঠি মিছিল

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে রাজধানীতে লাঠি মিছিল করে বের করে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন। নির্বাচন বর্জনের দাবিতে আজ শুক্রবার (৫ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকায় মিছিল করে তারা। ‘অবৈধ নির্বাচন মানি না মানব না, ডামি নির্বাচন মানি না মানব না, একতরফা নির্বাচন মানি না মানব না, ভোট চোর, ভোট চোর শেখ হাসিনা ভোট চোর’ শ্লোগান দিয়ে  কারওয়ার বাজার এলাকা প্রকম্পিত করে নেতাকর্মীরা।

মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে রুহুল কবির রিজভী বলেন, আজকে দেশে দুটি ধারা বিদ্যমান। একটি হচ্ছে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে, মানুষের ভোটাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে। আরেকটি হচ্ছে টাকা পাচার ও লুটেরাদের পক্ষে, মানুষের অধিকার হরণের পক্ষে। আমরা যারা ন্যায়ের পক্ষে আছি তাদের বিজয় অবশ্যম্ভাবী।

তিনি বলেন, অবৈধ নির্বাচন জনগণ মেনে নেবে না। লুটেরাদের নির্বাচন জনগণ মেনে নেবে না। তিনি বিএনপির সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ দেশবাসীকে অবৈধ নির্বাচন বর্জনের আহ্বান জানান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. মো. রফিকূল ইসলাম, সহ-যুব বিষয়ক সম্পাদক মীর নেওয়াজ আলী নেওয়াজ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক এমপি সেলিম রেজা হাবিব, ড. খোন্দকার আকবর হোসেন বাবলু (সহ-সভাপতি, মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপি), তাঁতী দলের আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ ও সদস্য সচিব হাজি মজিবুর রহমান, মৎস্যজীবী দলের সদস্য সচিব আব্দুর রহিম,সাবেক ছাত্রনেতা আহসান উদ্দিন খান শিপন, আব্দুল হালিম খোকন, যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি জাকির সিদ্দিকী, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক মেহবুব মাসুম শান্ত, কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক খন্দকার আল আশরাফ মামুন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান জুয়েল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য নাদিয়া পাঠান পাপন, রামপুরা থানা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক নীলুফার ইয়াসমীন নীলু, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সহ সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক, তারেক উজ জামান তারেক, মামুন বিল্লাহ, যুগ্ম সম্পাদক শওকত আরা উর্মি, যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল রানা, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রশিক্ষণ সম্পাদক এম আর গণি (মোস্তফা), কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ সভাপতি আরিফ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডাঃ তৌহিদুর রহমান আউয়াল, সহ সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক জিয়ন, নাসরিন রহমান পপি, রুহুল আমিন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক জাকারিয়া হোসেন ইমন, মো. সাদেক মিয়া, সহ সাংস্কৃতিক সম্পাদক জান্নাতুল নওরিন উর্মি, কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা মোঃ নজরুল ইসলাম, এ্যাড. এমদাদুল হক ইমরান, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক জসিম সিকদার রানা, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক বিএনপি নেতা জাকির হোসেন, ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের সহ সভাপতি শাহাবুদ্দিন ইমন, ঢাবি ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদুর রহমান মাসুদ, যুগ্ম সম্পাদক রাজু আহমেদ, ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দা সুমাইয়া পারভীন, জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহবায়ক ওমর ফারুক পাটোয়ারী, এ কে এম ওয়াজেদ, মৎস্যজীবী দল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহবায়ক মোঃ শাহ আলম ও সদস্য সচিব কেএম সোহেল রানা, তাতীঁ দলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম, রেজাউল ক্রিম রানা, উত্তর তাঁতীদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হান্নান খান, দক্ষিণের যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কালাম মাস্টার, মন্জুর হোসেন, মুগদা থানার সাধারণ সম্পাদক জুলহাস, তুরাগ থানার সভাপতি আলম, ভাষানটেকের সভাপতি লিটন, বাবু ও ফারুক, মৎস্যজীবী দল ঢাকা মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব মোঃ রাকিব বিল্লাহ, মৎস্যজীবী দলের কেন্দ্রীয় সদস্য হাজী আনোয়ার হোসেন, ইব্রাহিম চৌধুরী, ফজলে কাদের সোহেল, এইচ এম আবু সাঈদ এবং মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম আহবায়ক গিয়াস উদ্দিন ও দক্ষিণের অন্যতম নেতা শাহাদত হোসেন, মিরপুর থানার আহবায়ক আরিফুল ইসলাম রিপন, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় নেতা এডভোকেট সুলতান মাহমুদ, কৃষকদল কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-পাঠাগার সম্পাদক ফারজানা ইয়াসমিন লিপি, কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা কাজী মনজুর রহমান, ঢাকা উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব সজীব রায়হান, ঢাকা কলেজ দক্ষিণায়ন হলের সাধারণ সম্পাদক শাওন খন্দকার, মো. ওমর ফারুক।