ট্রেনে আগুন দেওয়াসহ প্রতিটি নাশকতার ঘটনায় বিএনপি নেতাকর্মীদের জড়িত থাকার বিষয়টি প্রমাণিত বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের মিডিয়া সেলের সদস্যসচিব মোহাম্মদ এ আরাফাত।
আজ শনিবার সন্ধ্যায় তেজগাঁওয়স্থ ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন।
তিনি বলেন, শুক্র ও শনিবার বিএনপি-জামায়াত দেশের ২০টিরও বেশি ভোটকেন্দ্রে আগুন দিয়ে পুড়িয়েছে। রাজবাড়ীর একটি স্কুল পাহারায় থাকা গ্রাম পুলিশের এক সদস্যকেও তারা হত্যা করেছে। রামুতে রাখাইন মন্দিরে আগুন দিয়েছে। ডেমরা ও কুমিল্লায় দুটি বাসে আগুন দিয়েছে। ভোলায় বেসরকারি হাসপাতালে ভাঙচুর ও হামলা করেছে। এই চিত্র শুধু গত দুই দিনের। নির্বাচনের বিরোধিতা ও সন্ত্রাসের ইতিহাস বিএনপির ডিএনএতেই আছে।
আরাফাত বলেন, প্রতিটি হামলার ক্ষেত্রে যখনই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে, যখনই কেউ ধরা পড়ছে পরিষ্কারভাবে দেখা যাচ্ছে হয় সে স্বেচ্ছাসেবক দলের, হয় ছাত্রদল, না হয় যুবদল, না হলে বিএনপির কোনও না কোনও পর্যায়ের নেতা বা কর্মী। তারা অনেকেই ধরা পড়ার পর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিচ্ছে।
বিএনপি ভোট বর্জনের রাজনীতি করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা বলছে মানুষ যেন ভোট দিতে না যায়। এজন্য বিএনপি সারা দেশে লিফট বিতরণ করেছে। ভোটের দিন মানুষ যাতে ভোট দিতে না যেতে পারে সেজন্য হরতাল ডেকেছে।
তিনি বলেন, আসলে তারা নিজেরাও বিশ্বাস করে না যে মানুষ ভোট বর্জন করবে। যেহেতু তারা এটা বিশ্বাস করে না, সেজন্য তারা প্রথমে লিফলেট বিতরণ করেছে, এরপর হরতালের ডাক দিয়েছে। নতুন করে নাশকতা করে এবং মানুষকে পুড়িয়ে ফেলার মাধ্যমে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে। হুমকি দিচ্ছে যেন মানুষ ভোট দিতে না আসে।
সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, উপপ্রচার সম্পাদক আবদুল আউয়াল শামীম, উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, কার্যনির্বাহী সদস্য সাহাবুদ্দিন ফরাজী ও গোলাম রব্বানী চিনু উপস্থিত ছিলেন।