নাশকতা রোধে কঠোর বার্তা র‌্যাব-পুলিশের

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ আজ রবিবার শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করা ও ভোটের মাঠে নাশকতা প্রতিরোধে কঠোর সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে দেশের সব জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) ও থানার ওসিদের। যে ইউনিটের আওতাধীন এলাকায় নাশকতা হবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে তার জন্য জবাবদিহি করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। দায়িত্বে অবহেলা বা শিথিলতার জন্য প্রয়োজনে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ারও কথা বলেছেন পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

একই রকম কঠোর বার্তা পেয়ে মাঠে নেমেছে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট। নির্বাচনে নাশকতা ও সহিংসতা হতে পারে এমন আগাম গোয়েন্দা তথ্যও রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে। পুলিশসহ আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

একটি পক্ষ নাশকতার চেষ্টা করতে পারে ধরে নিয়ে সব ধরনের প্রস্তুতিসহ মাঠে কাজ করছেন র‌্যাব, পুলিশ, বিজিবি, আনসারসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাড়ে সাত লাখের বেশি সদস্য। পাশাপাশি স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মাঠে রয়েছেন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা। ঝুঁকিপূর্ণ ও দুর্গম এলাকায় নেওয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। অতিঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ড্রোন দিয়ে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করার ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভুয়া ভোটার শনাক্ত ও ভোট কেনাবেচা ঠেকাতে ওআইভিএস প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে র‌্যাব।

ভোটের মাঠের নিরাপত্তা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেন, ‘একটি পক্ষ থেকে নাশকতা সৃষ্টির পরিকল্পনা করেছে। আমরা বিষয়টি মাথায় নিয়ে নিরাপত্তা পরিকল্পনা সাজিয়েছি।’

আর বিজিবি ও আনসার মহাপরিচালক জানান, সংশ্লিষ্ট সব ধরনের ঝুঁকি মাথায় রেখেই নিরাপত্তা পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে।