টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর চার সমর্থককে গ্রেপ্তারের পর ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) বিকেল সোয়া ৩টার দিকে লতিফ সিদ্দিকীর ছোট ভাই বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী পুলিশের সঙ্গে মধ্যস্থতা করে গ্রেপ্তার ছয় সমর্থকের মধ্যে চারজনকে থানা থেকে ছাড়িয়ে আনেন।
যাদের ছাড়া হয়েছে তারা হলেন—উপজেলার বাংড়া ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান হাসমত আলী, ছাত্রলীগ নেতা হৃদয়, পিন্টু ও খোকা। অপর আসামি মো. লাট মিয়া (৪৫) ও মনিরকে (৩৩) আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। গতকাল সোমবার রাতে কালিহাতী উপজেলার নাগবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কাইয়ুম বিপ্লবের বাড়ি ভাঙচুর ও বল্লা এলাকায় অফিস ভাঙচুরের মামলায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান হাসমত আলী, সমর্থক নুর, হৃদয় ও খোকাসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
কর্মীদের ছাড়াতে আজ দুপুর ১২টার দিকে আবদুল লতিফ সিদ্দিকী নেতাকর্মীদের নিয়ে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়ক ও কালিহাতী থানা ঘেরাও করেন। এ সময় টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কের প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রী ও চালকরা।
পরে দুপুর আড়াইটার দিকে সেখানে আসেন লতিফ সিদ্দিকীর ছোট ভাই বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী। তিনি বড় ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলে থানায় ঢুকে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন। বিকেল সোয়া ৩টার দিকে তিনি গ্রেপ্তার হাসমত আলী, নুর, হৃদয় ও খোকাকে নিয়ে থানা থেকে বের হয়ে আসেন। পরে আন্দোলনরত বড় ভাই আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর কাছে তাদের বুঝিয়ে দেন। এ সময় তিনি উত্তেজিত কর্মী-সমর্থকদের কর্মসূচি প্রত্যাহার করে সরে যেতে বলেন। তারা থানা ঘেরাও কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন।
কালিহাতী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল ফারুক বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মামলা ছিল। এজাহারভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারের পর কেন ছাড়া হলো এমন প্রশ্ন করা হলে ওসি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।