টানা তৃতীয়বারের মতো মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন অ্যাডভোকেট জুনাইদ আহমেদ পলক। দশম ও একাদশ জাতীয় সংসদে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী ছিলেন তিনি।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে মন্ত্রিসভায় হ্যাটট্রিক করলেন চলনবিলের পলক।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নাটোর-৩ (সিংড়া) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন জুনাইদ আহমেদ পলক। এ নিয়ে টানা চতুর্থবার এ আসন থেকে নির্বাচিত হলেন তিনি।
পলক নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি। এর আগে, সিংড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন। ছাত্র রাজনীতিতে পলক সিংড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিংড়া গোল-ই আফরোজ সরকারি কলেজ ছাত্রসংসদের ভিপি ছিলেন।
তিনি ২০০৮ সালের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে নাটোর-৩ (সিংড়া) আসন থেকে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর ২০১৪ ও ২০১৮ সালেও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
পলকের বাবা মরহুম ফয়েজ উদ্দিন ছিলেন সিংড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। মা জামিলা ফয়েজ একজন গৃহিণী। ১৯৮০ সালের ১৭ মে নাটোর জেলার চলনবিল অধ্যুষিত সিংড়া উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি।
সিংড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষা শেষ করে ভর্তি হন সিংড়া দমদমা পাইলট স্কুল এন্ড কলেজে। এ বিদ্যালয় থেকে ১৯৯৫ সালে এসএসসি ও ১৯৯৭ সালে রাজশাহী কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় প্রথম বিভাগ পেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন পলক। এরই মধ্যে তার বাবা ইন্তেকাল করলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি না হয়ে এলাকায় ফিরে এসে ভর্তি হন সিংড়া গোল-ই-আফরোজ সরকারি কলেজে।
মূলত সেখান থেকেই ছাত্র রাজনীতিতে জোরালো উত্থান শুরু হয় পলকের। ১৯৯৯ সালে কলেজ ছাত্রসংসদ নির্বাচনে ভিপি নির্বাচিত হন তিনি।
পলক ২০০১ সালে ঢাকা কলেজ থেকে এমএসএস এবং ২০০৩ সালে ঢাকা ন্যাশনাল ল কলেজ থেকে এলএলবি পাস করে প্রথমে নাটোর জজ কোর্টে এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে আইনজীবী হিসাবে কর্মজীবন শুরু করেন।
পলক আরিফা জেসমিন কণিকার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের পরিবারে তিন ছেলে রয়েছে। সিংড়ার ইতিহাসে প্রথম মন্ত্রিসভার সদস্য জুনাইদ আহমেদ পলক।