উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের করোনা টিকার চতুর্থ ডোজ নেওয়ার পরামর্শ

চলতি বছরে গত ১২ দিনে দেশে করোনা সংক্রমণের হার দ্বিগুণের বেশি বেড়েছে। বছরের প্রথম দিন পরীক্ষা অনুপাতে করোনা শনাক্তের হার ছিল ৪ শতাংশ,যা গতকাল বৃহস্পতিবার বেড়ে ১০ শতাংশে পৌঁছেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় (আজ শুক্রবার সকাল আটটা পর্যন্ত) শনাক্ত হার কিছুটা কমলেও তা ৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

এ সময় করোনা রোগীর সংখ্যাও বেড়েছে দ্বিগুণ। বছরের প্রথম দিন শনাক্ত রোগী ছিল ২০ জন। গতকাল বৃহস্পতিবার শনাক্ত হয়েছে ৪৪ জন, যা দ্বিগুণেরও বেশি। আর আজ শুক্রবার রোগীর সংখ্যা ছিল ৩৯ জন।

গত দুদিনের করোনা শনাক্তের হার গত এক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে গতবছরের মে মাসের মাঝামাঝিতে শনাক্ত হার ১০ শতাংশের ওপরে ছিল। পরে তা কমতে কমতে গত বছরের শেষের দিকে এক শতাংশের নিচে নেমে আসে। কিন্তু এ বছরের শুরু থেকেই সংক্রমণ বাড়ছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করে ৩৯ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্ত হার ছিল ৩ দশমিক ৯৭ শতাংশ। এ মাসে ৮ জানুয়ারি সর্বনিম্ন শনাক্ত হার ছিল ৪ দশমিক ২১ শতাংশ ও ৬ জানুয়ারি সর্বনিম্ন রোগী ছিল ১০ জন।

এমন অবস্থায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের করোনা টিকার চতুর্থ ডোজ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।

আজ এক বিজ্ঞপ্তিতে অধিদপ্তর সতর্ক করে বলে, বিশ্বের বেশ কিছু দেশে কভিড-১৯ এর নতুন ভ্যারিয়েন্ট জেএন.১ এর সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এমতাবস্থায় উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে, যেমন- হাসপাতাল/চিকিৎসা কেন্দ্র এবং উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তি যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম তাদেরকে সতর্ক হিসেবে মাস্ক ব্যবহার করার পরামর্শ দেয়া হলো। উচ্চ ঝুকিপূর্ণ ব্যক্তিদের চতুর্থ ডোজ ভ্যাকসিন নেয়ার পরামর্শ দেয়া হলো। সার্জারি অথবা অন্য কোন রোগের চিকিৎসার ক্ষেত্রে কেবল মাত্র কভিড-১৯ লক্ষণ বা উপসর্গ থাকলে কভিড-১৯ পরীক্ষা করার পরামর্শ দেয়া হলো।