বিএনপি অফিসে তালা দেন নিরাপত্তাকর্মী

বিএনপির প্রধান কার্যালয়ে পুলিশ তালা দেয়নি জানিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) বলছে, ওই কার্যালয় নিরাপত্তাকর্মী সোহাগই তালাবদ্ধ করেছিলেন। গত বৃহস্পতিবার রাতে ডিএমপি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। ডিএমপি সবার কাছ থেকে বস্তুনিষ্ঠ বক্তব্য প্রত্যাশা করে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

ডিএমপির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৮ অক্টোবর সমাবেশ শেষে বিএনপি প্রধান কার্যালয়ের নিরাপত্তাকর্মী সোহাগ বিএনপির প্রধান কার্যালয়ে রাত্রিযাপন করেন। ২৯ অক্টোবর সকালে বিএনপির প্রধান কার্যালয়ের গেটে তালা দিয়ে চাবি নিয়ে অফিস ত্যাগ করেন সোহাগ। এ-সংক্রান্ত তথ্য প্রমাণ ঢাকা মহানগর পুলিশের কাছে রয়েছে।

এদিকে গত ১০ জানুয়ারি রুহুল কবির রিজভী নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের প্রধান ফটকের চাবি ফেরত পাওয়ার অনুরোধ করে পুলিশ কমিশনার বরাবর একটি চিঠি পাঠান। বৃহস্পতিবার বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় পুলিশ তালা দিয়ে রেখেছিল। তবে ঢাকা মহানগর পুলিশ ইতিপূর্বে একাধিকবার বক্তব্য দিয়েছে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় পুলিশ কখনই তালা দিয়ে রাখেনি। এরপর ঢাকা মহানগর পুলিশ বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান করে। এরপর সোহাগের তালা দেওয়ার কথা জানতে পারে তারা।

‘তত্ত্বাবধায়ক সরকারের’ দাবিতে গত ২৮ অক্টোবর নয়াপল্টনে বিএনপির সমাবেশ স্থলের অদূরে কাকরাইল ও বিজয়নগর এলাকায় পুলিশের সঙ্গে নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়। পরদিন থেকে আন্দোলনে যায় দলটি। সেদিন থেকেই বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তালা দেওয়া হয়। ৭৫ দিন পর বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ফটকের তালা ভেঙে কার্যালয়ে প্রবেশ করেন।

ডিএমপির বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘রুহুল কবির রিজভী কর্তৃক প্রদত্ত বিএনপি অফিসে তালা দেওয়া সম্পর্কিত বক্তব্য এবং এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার বরাবর চাবি ফেরত চাওয়ার পত্রটি যথাযথ নয় বলে প্রতীয়মান হয়।’