কচ্ছপের বাচ্চা হাতে নিয়ে যা বললেন পার্নো

শ্রীলঙ্কার সমুদ্রের ধারে একটি কচ্ছপ সংরক্ষণ কেন্দ্রে দেখা গেল অভিনেত্রী পার্নো মিত্রকে। সেখানে গিয়ে বাচ্চা কচ্ছপগুলোকে হাতে তুলে আদর করতে দেখা গেল কলকাতার আলোচিত এই নায়িকাকে। বেশকিছু ছবি প্রকাশ করেছেন তিনি।

ছবিগুলোতে ক্যাপশন দিয়ে লিখেছেন, এটা একটি কচ্ছপ সংরক্ষণ কেন্দ্র। তারা এই সুন্দর প্রাণীদের উদ্ধার করে, প্রশিক্ষণ দেয় এবং সমুদ্রে ফিরে যেতে সাহায্য করে। মানুষ হিসেবে আমরা অনেক উপায়ে সাহায্য করতে পারি কিন্তু আমরা ব্যর্থ হই। আসুন আমাদের কাজটি করি।

পার্নোর মনোভাব বোঝা গেল তিনি প্রাণীদের প্রতি কতটা মানবিক। তাই সকলকে মানবিক কাজে আহবানও জানালেন।

এই সমুদ্রের ধারেই  কখনও সমুদ্রের নোনা জলে নিজেকে ভিজিয়ে নিতে দেখা গেল। কখনও আবার সৈকতের ধারে রোদ পোহাচ্ছেন। দাঁড়ান, চমকানোর এখনও বাকি আছে। এই সফরে পার্নোর সঙ্গী ছিল নাকি হুইলচেয়ার! যদি কচ্ছপ সংরক্ষণ কেন্দ্রে তাকে স্বাভাবিকভাবেই হেঁটে চলাফেরা করতে দেখা গেল।

গত মাসে দুবাই ট্রিপে গিয়েছিলেন পার্নো, সেখানে পায়ে আঘাত পান। দিন কয়েক আগেই সেই খবর জানিয়েছিলেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। কিন্তু বাড়িতে বিশ্রাম নিতে রাজি নন নায়িকা তাই তো ফের ঘুরতে বেরিয়ে পড়েছেন। আপতত প্রতিবেশি দেশ শ্রীলঙ্কায় ছুটি কাটাচ্ছেন এই সুন্দরী।

পায়ের এখনও পুরোপুরি সারেনি। পাতা বেশ খানিকটা ফুলে রয়েছে। বেশি হাঁটাচলা করতে পারছেন না। তাই তো হুইলচেয়ার বিমানবন্দরে হাজির হয়েছিলেন পার্নো। জানা গিয়েছে, আগে থেকেই এই ট্রিপ প্ল্যান করে রেখেছিলেন তিনি। সব বুকিং চূড়ান্ত ছিল, তাই বান্ধবীর সঙ্গ দিতে পৌঁছে যান। 

দুবাইয়ে সিঁড়ি থেকে পড়ে গিয়েছিলেন পার্নো। নিয়মিত ব্যান্ডেজ বেঁধে রাখছেন। নিয়মিত ওষুধও চলছে। ব্যাথা না কমলে চিকিৎসক পরামর্শ দিয়েছেন EMRI করানোর, যাতে লিগামেন্টে চোট রয়েছে কিনা তা স্পষ্ট জানা যায়। তবে চোটের কথা ভুলে আপাতত শ্রীলঙ্কার সৌন্দর্যে ডুবে পার্নো। নীল জলরাশির অতলে ভেসে গিয়েছে মন।

গত মাসে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়েছে পার্নোর দুটি ছবি- ‘বনবিবি’ এবং ‘সুজি কিউ’। চন্দন রায় সন্যাল পরিচালিত ‘সুজি কিউ’ পার্নোর ক্যারিয়ারের প্রথম হিন্দি ছবি। এই ছবি নিয়ে বেশ আশাবাদী অভিনেত্রী। অভিনেত্রী জানান, 'আমার নামে ছবি, তাই সেটা দারুণ ব্যাপার। খুব মজা পেয়েছি এই কাজটা করে। এক টাইপের চরিত্র করছিলাম, গ্রামের মেয়ে হয়ে গিয়েছিলাম। 

তিনি বলেন, এটা একদম উল্টো- খুব গ্ল্যামারাস চরিত্র। ইন্ডিপেনডন্ট ছবিতে গ্ল্যামারাস চরিত্র যেমন হয় আর কী! ছবি উৎসবে বনবিবিও দেখানো হয়েছে, তার চেয়ে এটা অন্য মেরুর ছবি। অভিনেত্রী হিসাবে এক্সাইটিং যখন আপনি ভিন্ন ভিন্ন রকমের চরিত্রে অভিনয় করতে পারেন।'