উরুর ইনজুরির কারণে ৬ সপ্তাহ ধরে মাঠের বাইরে নিউক্যাসল তারকা জোয়েলিন্টন। মাঠের বাইরে থেকে গত শনিবার ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে দেখেছেন সতীর্থদের পরাজয়। এমনিতেই মন ছিল ভারাক্রান্ত। তারমধ্যে আতঙ্ক বাড়ায় চোররা। বাড়িতে হামলা করেছিল তারা লুট করার জন্য। কিছু নিয়ে যেতে পারলেও খবরটি পেয়ে আৎকে উঠেছিলেন তিনি।
নিউক্যাসলের এই ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার সেন্ট জেমস পার্কে থাকাকালে তার ফোনে সতর্ক বার্তা পান যে, তার বাড়ির সদর দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করছে চোরেরা। তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি। পুলিশ সদস্যরা দ্রুতই সেখানে পৌঁছান। ফলে মূল্যবান কোনো কিছুই নিয়ে যেতে পারেনি। সূত্রের বরাত দিয়ে তথ্যটি নিশ্চিত করেছে টেলিগ্রাফ স্পোর্ট।
জোয়েলিন্টন এই ঘটনায় মর্মাহত এবং উদ্বিগ্ন ছিলেন কারণ চোরেরা যখন হামলা করেছিল, তখন তার পরিবারের বাকি সদস্যরা বাড়িতে থাকতে পারতেন।
নর্থাম্ব্রিয়া পুলিশের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ‘শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার কিছু আগে পুলিশ সংশ্লিষ্ট বাড়ির মালিকের কাছ থেকে ফোন পেয়ে জানায়, দারাস হলের রনিমেডে রোডে তাদের বাড়িতে তিনজন লোক রয়েছে। সৌভাগ্যবশত বাড়ির মালিক বাড়িতে ছিলেন না, কিন্তু তাদের ফোনে একটি নিরাপত্তা সতর্কতা পেয়েছিলেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে উদ্বেগের কথা জানিয়েছিলেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তারা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছে।’
ঐ মুখপাত্র বলেছেন, ‘অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে। আমরা ইমারজেন্সি কল (১০১) থেকে এই ঘটনার সম্পর্কে প্রথমে জানতে পারি। যারা হামলা করেছিল, তাদের কিছু তথ্য আমাদের হাতে এসেছে। তাদের লগ এনপি ২০২৪০১১৩-০৮৩৫।’
ঐ সময় জোয়েলিন্টনের বাড়িতে কেউ ছিল না। তবে ইংল্যান্ডে যেভাবে খেলা চলাকালে খেলোয়াড়দের বাড়িতে চুরি বাড়ছে ও বাড়ি ভাঙার ঘটনা ঘটছে, তা উদ্বেগজনক বলে জানিয়েছেন ঐ মুখপাত্র।