লেবানন থেকে সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় একজন বয়স্ক ইসরায়েলি নারী ও তার ছেলে নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েল।
ইসরায়েলের উত্তর সীমান্তের কেফার ইউভাল শহরে হিজবুল্লাহর ট্যাঙ্ক-বিরোধী ক্ষেপণাস্ত্রটি আঘাত হানে, এতে বারাক আয়লোন (৪৫) এবং তার মা মিরি আয়লোন (৭৬) নিহত হন। খবর বিবিসি।
এর আগে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছিল যে, তারা লেবানন থেকে ইসরায়েলে প্রবেশের চেষ্টার সময় চার বন্দুকধারীকে হত্যা করেছে।
নিহত বারাক আয়লোন কেফার ইউভাল শহরের জরুরি প্রতিক্রিয়া স্কোয়াডে কর্মরত ছিলেন। ইসরায়েলি গণমাধ্যম বলছে, হিজবুল্লাহর হামলায় তার বাবাও গুরুতর আহত হয়েছেন।
ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) বলেছে যে, ‘হিজবুল্লাহ গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র দেশটির উত্তরে বেশ কয়েকটি ইসরায়েলি সম্প্রদায়কে লক্ষ্যবস্তু করেছে এবং আইডিএফ প্রতিশোধ হিসেবে লেবাননে হিজবুল্লাহ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করছে।‘
এদিকে হিজবুল্লাহ নেতা হাসান নাসরাল্লাহ বলেছেন, ‘ইসরায়েলে আঘাত হানার লক্ষ্য ছিল গাজায় যুদ্ধ বন্ধ করা।‘
তিনি আরও বলেন, ‘ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠী লোহিত সাগরে শিপিং আক্রমণ চালিয়ে যাবে এবং এই গোষ্ঠীর উপর মার্কিন ও যুক্তরাজ্যের হামলা একটি ভুল ছিল।‘
এদিকে রোববারও গাজায়, ইসরায়েলি ট্যাঙ্ক ও বিমান দক্ষিণ ও মধ্যাঞ্চলে লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। এতে করে ইসরায়েলের অব্যাহত হামলায় আরও ১২৫ জন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে গাজায় হামাসের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা।
গত বছরের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া গাজায় ইসরায়েলি হামলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৪ হাজারে। যেখানে ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও হাজার হাজার মৃত রয়েছে বলে শঙ্কা রয়েছে। স্থানীয় কর্মকর্তারা বলছেন, নিহতদের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ শিশু ও নারী। এছাড়া ইসরায়েলি বর্বর হামলায় উপত্যকাটিতে প্রায় ৬০ হাজার মানুষ আহত হয়েছে।