চতুর্থ দিনেও ডুবে যাওয়া ফেরি দৃশ্যমান হয়নি

পাটুরিয়া ৫ নম্বর ফেরিঘাটের কাছে পদ্মায় ডুবে যাওয়া ইউটিলিটি ফেরি রজনীগন্ধা চতুর্থ দিনেও দৃশ্যমান হয়নি। গতকাল শনিবার সাড়ে ৯টা থেকে উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয় উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেছে। গতকাল পর্যন্ত নয়টি ট্রাকের মধ্যে তিনটি ট্রাক উদ্ধার হয়েছে। ফেরির দ্বিতীয় চালক নিখোঁজ হুমায়ুন কবিরের কোনো সন্ধান মেলেনি।

ভুক্তভোগীদের দাবি এমন ঢিলেঢালা উদ্ধার অভিযান চালালে কত দিন লাগবে তার কোনো হিসেব নেই। গত বুধবার দুটি ও বৃহস্পতিবার একটি ট্রাক উদ্ধার হয়। এ নিয়ে ভুক্তভোগী ট্রাক মালিক-চালক ও সমিতির নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা বলছেন, ডুবে যাওয়া যানবাহনে পচনশীল পণ্য রয়েছে। এতদিনে সব নষ্ট হয়ে গেলে তারা নিঃস্ব হয়ে যাবেন।

বিআইডব্লিউটিসির আরিচা কার্যালয়ের উপ মহাব্যবস্থাপক শাহ মো. খালেদ নেওয়াজ জানান, উদ্ধার অভিযানে উদ্ধারকারী তিনটি জাহাজ, নৌবাহিনীর, বিআইডব্লিউটিএ ডুবুরি দল ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা একযোগে কাজ করছেন। ফেরি উল্টে যাওয়ার কারণে ডুবন্ত যানবাহন উদ্ধারে সময় বেশি লাগছে। প্রত্যয় উদ্ধার অভিযানে যোগ দিয়েছে তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে ফেরিসহ বাকি যানবাহন উদ্ধার হবে।

বিআইডব্লিটিএর চেয়ারম্যান কমোডর আরিফ আহমেদ মোস্তফা জানান, আমাদের উদ্ধার কাজ চলমান আছে। ডুবে যাওয়া ফেরির ভেতরে কিছু ফাটল থাকায় এয়ার লিফটিং ব্যাগে বাতাস দিয়ে ভাসানো সম্ভব হচ্ছে না। পুরোপুরি ফেরিটিকে ফ্লোট করার জন্য ফেরির এক পাশর্^ সিøপ পোড়ানো হয়েছে। বাকি ট্রাক উদ্ধানের জন্য আমাদের একটি টিম সকাল থেকে কাজ করে যাচ্ছে। আমার আরও একটি উদ্ধারকারী মাল্টিবিহিম ইকোসাউন্ডার সমৃদ্ধ ঝিনাই-১ নামের বড় একটি জাহাজ নারায়ণগঞ্জ থেকে আসছে। যেটা দিয়ে নদীর তলদেশে অবস্থান জানতে পারব। আমারা আশা করিছি যদি ফেরিটি তুলতে পারি তাহলে ট্রাকগুলো উদ্ধারে আমরা হামজা ও রুস্তমকে কাজে লাগাব।