চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) ১৫০ শয্যার পূর্ণাঙ্গ বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিট স্থাপনের কাজ শিগগিরই শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। রবিবার (আজ) বার্ন ইউনিট গড়ে তোলার বিষয়টি প্রি-একনেক মিটিংয়ে তোলা হবে। ডিপিপি পাস হলেই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলব। সবাই সাহায্য করলে দ্রুত বার্ন ইউনিটের কাজ শুরু হবে। পূর্ণাঙ্গ বার্ন ইউনিট হলে চট্টগ্রামে আগুনে পোড়া রোগীরা উন্নত চিকিৎসা পাবে। এ বার্ন ইউনিটে অত্যাধুনিক আইসিইউ, এইচডিইউ ও ওটি সুবিধা থাকবে।
গতকাল শনিবার সকালে বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের জন্য চমেক হাসপাতালে নির্ধারিত স্থান ঘুরে দেখেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘এই বার্ন ইউনিট নিয়ে অনেক দিন ধরে যুদ্ধ করে আসছি। আমি এই মেডিকেল কলেজের ছাত্র। আমার একটা স্বপ্ন এখানে যেন একটা বার্ন ইউনিট হয়। আমরা কাজ মোটামুটি গুছিয়ে নিয়ে এসেছি। চাইনিজদের সঙ্গে সবসময় যোগাযোগ আছে।’
এর আগে চমেক হাসপাতালে ৩০ শয্যার আইসিইউ ওয়ার্ড উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। এটি উদ্বোধন করে সাংবাদিকদের কাছে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, ‘১৯৭৩ সালে চমেকের ছাত্র ছিলাম। ৫০ বছর পর মন্ত্রী হয়ে এটি উদ্বোধন করতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি। মুমূর্ষু রোগীদের জীবন বাঁচাতে এই ইউনিট ভূমিকা রাখবে বলে আশা করি।’
চমেক হাসপাতালের নিচতলায় আগের মানসিক ওয়ার্ডে নতুন আইসিইউ ওয়ার্ডটিতে বসানো হয়েছে অত্যাধুনিক সব সরঞ্জাম। প্রতিষ্ঠার পর থেকে গত ৬৩ বছরে চমেক হাসপাতালে আইসিইউ শয্যা ছিল মাত্র ২০টি। চলতি বছর ৩০ শয্যা চালু হওয়ায় বর্তমানে আইসিইউর শয্যার সংখ্যা দাঁড়াল ৫০টিতে।