সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ ওমেন্স চ্যাম্পিয়নশিপ

মুকুট ধরে রাখার লক্ষ্য আফিদা-স্বপ্নাদের

তারা সর্বশেষ ঘরের মাঠে হওয়া সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জয়ী। ২০২২ সালে ঢাকাতেই হওয়া অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপাও তাদের ঘরে। তাই বয়সভিত্তিক এই আসরগুলোতে বাংলাদেশের থাকে একটাই লক্ষ্য- শিরোপা। এবারও এর ব্যতিক্রম নয়। ২ ফেব্রুয়ারি থেকে ঢাকার কমলাপুর স্টেডিয়ামে শুরু হবে চার দলের সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ ওমেন্স চ্যাম্পিয়নশিপে। নিজ আঙিনায় মুকুট ধরে রাখাই আফিদা খন্দকারদের লক্ষ্য। কোচ সাইফুল বারী টিটুর লক্ষ্যও অভিন্ন। তবে ভারত ও নেপাল আছে বলে তিনি থাকতে চান সতর্ক।

এবারের লক্ষ্য জানাতে মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক আফিদা খন্দকার, সহ-অধিনায়ক স্বপ্না রানীর কণ্ঠে ঝড়েছে আত্মবিশ্বাস। আফিদা বলেন, 'আমাদের লক্ষ্য ফাইনাল খেলা এবং হাসি নিয়ে টুর্নামেন্ট শেষ করা।' স্বপ্না যোগ করেন, 'যদিও এর আগে আমরা অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়ন হয়েছি, আমরা এর ধারাবাহিকতা ধরে রাখার চেষ্টা করব। আমরা নিজেদের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে ট্রফিটা দেশে রাখতে চাই।'

২ ফেব্রুয়ারি নেপালের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে মিশন শুরু হবে স্বাগতিক বাংলাদেশের। সেদিন প্রথম ম্যাচে ভারত খেলবে ভুটানের বিপক্ষে। এরপর ৪ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে লড়বে স্বাগতিক মেয়ারা। ৬ ফেব্রুয়ারি লিগপর্বে তাদের শেষ ম্যাচ ভুটানের বিপক্ষে। লিগপর্ব শেষে সেরা দুই দল ৮ ফেব্রুয়ারি খেলবে ফাইনালে।

বেশ কিছুদিন ধরেই দলটিকে প্রস্তুত করছেন অভিজ্ঞ কোচ টিটু। ভারত ও নেপালকে সমীহ করে তিনি বলেন, 'শারীরিকভাবে এদের মধ্যে তেমন পার্থক্য নাই। তবে অভিজ্ঞতার দিক থেকে, জাতীয় দলে যারা খেলেছে তাদের অভিজ্ঞতা অনেক বেশি। সে তুলনায় নতুনদের পরিপক্কতা কম এবং এটাই আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ থাকবে যে ওদেরকে দলের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া। র‌্যাঙ্কিংয়ের দিক থেকে ভারত (৬৫তম) ও নেপাল (১০৫তম) আমাদের (১৪০তম) থেকে অনেক এগিয়ে। তবে খেলা আমাদের নিজেদের মাঠে। তাই আমরা চেষ্টা করবো সেরা ফুটবল খেলে শিরোপা জিততে।'

অনূর্ধ্ব-১৮, ১৯ ও ২০- এই তিন ফরম্যাটে বয়সভিত্তিক প্রতিযোগিতাটি মাঠে গড়িয়েছে সব মিলিয়ে মোট চার বার। তিন বার শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ। একবারের শিরোপা গেছে ভারতের ঘরে। সেই হিসেবে এই আসরের হট ফেভারিট বলা যেতে পারে স্বাগতিকদের।