ভিটা থেকে তাড়াতে না পেরে পিটিয়ে ভাঙা হলো বিধবার হাড়কুমিল্লার লাকসামে শেষ সম্বল ভিটামাটিটুকু নিতে না পেরে জাহানারা বেগম (৪৫) নামের এক বিধবাকে বেধড়ক পিটিয়ে হাড় ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রভাবশালী বছির ও সোহেল গংদের বিরুদ্ধে।
আজ বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারী) উপজেলর উত্তরদা ইউপি হারাখাল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
বিধবা জাহানারা বেগম জানান, গত ৭-৮ বছর আগে তার স্বামী ওমর ফারুক মারা যান। মানুষের বাসায় কাজ করে জীবন নির্বাহ করেন তিনি। ২০-২৫ বছর ধরে পৈতৃকসূত্রে ১০ শতক সম্পত্তি ভোগ দখল করে আসছি। সেই জায়গা ঘর তুলে দুই মেয়েকে নিয়ে বসবাস করছিও। গত ১০-১২ দিন পূর্বে আমার পুরনো বসতঘরটি ভেঙে নতুন ঘরের কাজ শুরু করি। গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে বছির (৪০), মৃত মাজেদুল হকের ছেলে সোহেল (৩৫), মৃত ওজিউল্লার ছেলে সালাম (৬৫), আ. জলিলের ছেলে মীর হোসেন (৪০) ও মৃত বদিউল আলমের ছেলে মাইন উদ্দিন (৪০), সঙ্গে অজ্ঞাত আরও কয়েকজন মিলে ধারালো দা ও লাঠিসোঁটা নিয়ে আমাদের ওপর হামলা করে। তারা আমাকে প্রাণে মেরে ফেলতে বেদম মারধর করে। তাদের আঘাতে আমার হাতের চারটি আঙুল কেটে যায় এবং একটি আঙুল ভেঙ্গে যায়। আমাকে রক্ষায় আমার বড় ভাই মাইন উদ্দিন (৫০) এলে তাকেও মারধর করে দুষ্কৃতরা। আমাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে তারা আমাকে হত্যার হুমকি দিয়ে চলে যায়। প্রতিপক্ষের বাধায় ঘরের চালা দিতে না পারায় ঘর ভাঙার পর থেকে খোলা আকাশের নিচে থাকতে হচ্ছে।
এ ঘটনায় অভিযুক্তদের সাথে বিভিন্নভাবে যোগাযোগের চেষ্টা করেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
লাকসাম থানায় দায়ের করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, মামলাটি তদন্তাধীন। তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেব।
লাকসাম থানার ওসি মো. সাহাবুদ্দীন খান বলেন, বিধবাকে মারধর ও হাড় ভেঙে দেওয়ার ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।