তফসিলি ব্যাংকগুলোকে বছরে দুইবার (ষাণ¥াসিক) আমানত বীমার প্রিমিয়ামের তথ্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকে পাঠাতে হবে। যদি কোনো ব্যাংক এ তথ্য পাঠাতে বিলম্ব বা কোনো ধরনের ভুল করে তাহলে জরিমানা গুনতে হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপোজিট ইন্স্যুরেন্স ডিপার্টমেন্ট এ সংক্রান্ত একটি মাস্টার সার্কুলার জারি করেছে।
এতে বলা হয়েছে, দেশের ক্ষুদ্র আমানতকারীদের সুরক্ষা ও সামগ্রিক আর্থিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় ১৯৮৪ সাল থেকে আমানত বীমা পদ্ধতি তথা ডিপোজিট ইন্স্যুরেন্স সিস্টেমস চালু আছে। সংগৃহীত তথ্য প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই পূর্বক নির্ধারিত প্রিমিয়াম হার প্রয়োগ করে ব্যাংকগুলোর জন্য আবশ্যিকভাবে প্রদেয় প্রিমিয়ামের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়। তফসিলি ব্যাংকগুলোকে জানুয়ারি থেকে জুন ও জুলাই থেকে ডিসেম্বর ষাণ¥াসিকের শেষ কর্মদিবসের হিসাবের স্থিতির ভিত্তিতে যথাক্রমে ৩১ জুলাই এবং ৩১ জানুয়ারির মধ্যে সংশ্লিষ্ট আগের বছরের তথ্য পাঠাতে হবে।
ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল তথ্য সংবলিত বিবরণী দাখিল করলে ‘ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১’ এর ১০৯(২) ধারার বিধানবলে অর্থদ- ও তদসংশ্লিষ্ট শাস্তি আরোপ করা হবে। এছাড়া নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে বিবরণী দাখিলে ব্যর্থ হলে ‘ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১’ এর ১০৯(৭) ধারার বিধান বলে নির্ধারিত হারে জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হবে।