কুমিল্লার লালমাই উপজেলায় ভূমি অফিসে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ তদন্তে কমিটি করা হয়েছে। একই সঙ্গে ওই দপ্তরের পাঁচ কর্মচারীকে বদলি করা হয়েছে। গতকাল শনিবার বিকেলে লালমাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মৌমিতা দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
গত শুক্রবার দেশ রূপান্তর পত্রিকার শেষ পৃষ্ঠায় ‘জমির মাপে ঘুষ নেন এসিল্যান্ড’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়।
জানা যায়, কুমিল্লার রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর (আরডিসি) ফাহরিয়া ইসলাম স্বাক্ষরিত তিনটি বদলির আদেশে অভিযুক্ত পাঁচজনকে বদলি করা হয়েছে। লালমাই উপজেলার ভূমি অফিস থেকে বদলি করে জারিকারক মো. খোরশেদ আলমকে মনোহরগঞ্জ উপজেলা ভূমি অফিস এবং সার্ভেয়ার মো. মঞ্জুর হোসেনকে মেঘনা উপজেলা ভূমি অফিসে পাঠানো হয়। আর কম্পিউটার অপারেটর মো. আতিকুর রহমান সরকারকে মনোহরগঞ্জ উপজেলা ভূমি অফিস, অফিস সহায়ক কাউছার আল রোমেনকে লালচাঁদপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস ও অফিস সহায়ক মো. শাহ আলমকে নাওতলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বদলি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ কাবিরুল ইসলাম খান বলেন, দেশ রূপান্তর পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পাঁচজনকে বদলির পাশাপাশি অভিযোগের সত্যতা তদন্ত করতে কমিটি করা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনা হবে।