ইন্টার মায়ামির প্রাক-মৌসুম সফরে হংকং হয়ে জাপানে যান লিওনেল মেসি। জাপানে ভিসেল কোবের বিপক্ষে ৬০ মিনিটের সময় মাঠে নামেন মেসি। কিন্তু তার তিনদিন আগেই হংকংয়ে মাঠে নামেননি ফুটবল জাদুকর। পেছনের কারণ চোট হলেও ভক্ত সমর্থকরা তা মানতে নারাজ। এ নিয়ে জল কম ঘোলা হয়নি। অবশেষে দর্শকদের টিকেটের ৫০ শতাংশ অর্থ ফেরত দেওয়ার কথা জানিয়েছে হংকংয়ে ম্যাচটির আয়োজকরা।
প্রীতি ম্যাচটির আয়োজক ট্যাটলার এশিয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে এক বিবৃতিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। একই সঙ্গে গত রোববারের ওই ম্যাচে মেসি না খেলায় দর্শকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে তারা। দুঃখ প্রকাশ করেছে ইন্টার মায়ামি কর্তৃপক্ষও।
হংকংয়ে সেদিন ৪০ হাজার দর্শক ধারণ ক্ষমতার স্টেডিয়ামে তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না। ৫ হাজার হংকং ডলারে (৬৪০ মার্কিন ডলার) টিকেট কেটে খেলা দেখেন অনেকে। মেসিকে মাঠে না নামানোয় খেলা চলার সময়ই স্লোগান দিতে থাকেন দর্শকরা। ম্যাচের শেষ দিকে বেশ ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায় অনেককে। টিকেটের অর্থ ফেরত চেয়ে অনেকে বলতে থাকেন, ‘রিফান্ড…রিফান্ড।’
সেদিনের ম্যাচের পর ইন্টার মায়ামির কোচ জেরার্দো মার্তিনো বলেছিলেন, হ্যামস্টিং চোটের জন্য মেসিকে নিয়ে ঝুঁকি নেওয়ার কোনো উপায় ছিল না তাদের। আয়োজকদের দাবি সেদিন মেসির না খেলার কারণ দর্শকদের কাছে ব্যাখ্যা করার অনুরোধ করলেও তা করা হয়নি। পরে জাপানে মেসি মাঠে নামলে এ ক্ষোভ আরও কয়েকগুণ বেড়ে যায়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘জাপানে মেসি ও (লুইস) সুয়ারেসের খেলাটা আমাদের অপমান করার মতো মনে হয়েছে। চোট না থাকলে মেসি ও সুয়ারেজসহ দলের শীর্ষ খেলোয়াড়রা ৪৫ মিনিট খেলবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ইন্টার মায়ামি।’
ইন্টার মায়ামি ক্লাবের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘মেসি ও সুয়ারেজের রোববারের ম্যাচে অনুপস্থিত থাকা ঘিরে যে হতাশা, সেটি আমরা বুঝতে পারছি। আমাদের প্রবল ইচ্ছা থাকার পরও দুই খেলোয়াড় খেলতে না পারায় আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি।’ ভবিষ্যতে হংকং ইন্টার মায়ামিকে খোলামনে গ্রহণ করতে চাইলে ক্লাবটি আবারও সেখানে যেতে চায় বলে উল্লেখ করা হয়েছে সেই বিবৃতিতে।