মিয়ানমারের অভ্যন্তরে ত্রিমুখী সংঘর্ষের জেরে বন্ধ রয়েছে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে জাহাজ চলাচল। তবে কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানী থেকে দুটি জাহাজে করে প্রায় দেড় হাজারের মতো পর্যটক শনিবার সেন্টমার্টিন ভ্রমণ করেছেন বলে জানা গেছে।
জেলা প্রশাসন থেকে প্রাপ্ত তথ্য মতে, আগে থেকেই ইনানী-সেন্টমার্টিন নৌপথে ‘এমভি কর্নফুলি’ নামের একটি জাহাজ চলাচল করত। তবে মিয়ানমারের সংঘাতের কারণে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌপথে জেলা প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞার পর এই পথে একই মালিকের দুটি জাহাজ চলাচল করেছে। অপর জাহাজ ‘এমভি বার আউলিয়া’ এর আগে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌপথে চলাচল করত।
জাহাজ কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মিয়ানমারের সংঘাতের কারণে নৌপথে অন্যান্য মালিকের জাহাজ চলাচল বন্ধ করে একই মালিকের দুটি জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এই দুটি জাহাজে করে শনিবার প্রায়ই দেড় হাজার পর্যটক সেন্টমার্টিন ভ্রমণ করেছেন। ভরা মৌসুমে একটি পক্ষকে লাভবান করতেই প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্ত বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এমভি কর্নফুলি ও এমভি বার আউলিয়া কক্সবাজার ম্যানেজার বাহাদুর হোসেন বলেন, শনিবার আমাদের দুটি জাহাজে করে প্রায়ই দেড় হাজার পর্যটক সেন্টমার্টিন ভ্রমণে যান। তবে ফেরার সময় যাত্রী বেশি ছিল। অন্যান্য জাহাজ চলাচল না করায় তাদের যাত্রী আমরা বিনা পয়সায় নিয়ে এসেছি।
তিনি আরো বলেন, একসময় এমভি বার আউলিয়া কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন নৌপথে চলাচল করত। তবে এবারের মৌসুমের শুরু থেকেই জাহাজটি টেকনাফ থেকে যাতায়াত করে।
এ বিষয়ে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইয়ামিন হোসেন বলেন, টেকনাফ থেকে জাহাজ না চললেও কক্সবাজার থেকে পর্যটকরা সেন্টমার্টিন যেতে পারছেন। আজ এখান থেকে দুটি জাহাজ গিয়েছে।
তিনি আরো বলেন, জেলা প্রশাসন নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার এমভি বার আউলিয়া ঢাকা থেকে এই নৌপথে চলাচলের অনুমতি নিয়ে এসেছে। অন্যান্য জাহাজ মালিকদের আমি এভাবে অনুমতি নেওয়ার পরমার্শ দিয়েছি। যারা অনুমোদন আনবে তারা চলাচল করতে পারবে।